রাশিয়ায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে ইইউ

স্নায়ুযুদ্ধের পর রাশিয়ার ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইইউ নিষেধাজ্ঞার যে রূপরেখা দিয়েছে তাতে ইউক্রেইনের আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্তদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদ জব্দের পদক্ষেপ রয়েছে। সঙ্কট সমাধানে কূটনৈতিক কোনো অগ্রগতি না হলে সোমবারই এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল। রাশিয়ার ওপর ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন সবচেয়ে বড় দুটি রুশ ফার্মের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা। আগামী সপ্তাহে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে বলে শুক্রবার জানিয়েছে জার্মানির একটি পত্রিকা। রাশিয়ার প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের ওপর এটি অপ্রত্যাশিত রকম কঠোর পদক্ষেপ। ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, ইইউ ৫ পাতার একটি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ১২০ থেকে ১৩০ জন রুশ কর্মকর্তার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাসহ সম্পদ জব্দ করা হবে। আগামী সপ্তাহে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার শুরুতে আরো বেশিসংখ্যক রুশকে এর আওতাভুক্ত করা হবে কিনা তা নিয়ে এখনো বিতর্ক করছেন কর্মকর্তারা। ইউক্রেন সঙ্কটের বিরুদ্ধে এটি অনেকের ধারণার চেয়েও বেশি কড়া জবাব। সেই সঙ্গে ক্রিমিয়া দখলের জন্য মস্কোকে মূল্য দেয়ানোর ওয়াশিংটনের চেষ্টার সঙ্গে ইইউ’র এ এক ধরনের একাত্মতা প্রকাশ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সতর্ক করে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, মস্কো ক্রিমিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার না করলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। জার্মানিও রাশিয়াকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। রাশিয়া অবস্থান না বদলালে মারাত্মক রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন মার্কেল।