মো. জাহিদুজ্জামান জাহিদ, শিক্ষক, পদার্থবিজ্ঞান
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ।
পূর্বের পরের অংশ
আবার আমরা অন্যভাবেও বের করতে পারি,
ভার্নিয়ার ধ্রুবক, (vc) = , এখানে n/s = প্রধান স্কেলে ক্ষুদ্রতম এক ভাগের দৈর্ঘ্য
= ১মিমি/ n = ভার্নিয়ার ভাগ সংখ্যা
= ০.১ মিমি
এখানে ভার্নিয়ার স্কেলের স্ক্রু (s) কে ঢিলা করে স্লাইডারের (sd) সাহায্যে ঠেলে লক্ষ্য করি প্রধান স্কেলের (MS) শূন্য দাগ এবং ভার্নিয়ার স্কেলের শূন্য দাগ মিলে যায় কিনা, যদি মিলে যায় তাহলে যন্ত্রে কোন যান্ত্রিক ত্রুটি নেই। আর যদি মিলে না যায় তাহলে কি ধরনের ত্রুটি (ধনাত্মক ত্রুটি/ ঋণাত্মক ত্রুটি) তা নির্ণয় করে নেই। প্রাপ্ত ফলাফল হতে এই ত্রুটি বিয়োগ করে নিতে হবে।
ম্যাচ বাক্সটি দৈর্ঘ্য (ab) পরিমাপের জন্য এটিকে নিম্ন চোয়ালদ্বয়ের মাঝে স্থাপন করি যেন বিপরীত দিক থেকে স্পর্শ করে।
ম্যাচটির বাম প্রান্ত (a) প্রধান স্কেলের শূন্য (o) দাগের সাথে মিলিয়ে স্লাইডার (sd) এর সাহায্যে ভার্নিয়ার স্কেল (vs) কে সামনে পিছনে সরিয়ে ম্যাচের দৈর্ঘ্যের ডান প্রান্তের (b) সাথে মিলিয়ে নেই। লক্ষ্য করলে দেখতে পাই, ম্যাচের ডান প্রাপ্ত (b) প্রধান স্কেলের (MS) M মিমি দাগ অতিক্রম করেছে। তাহলে দৈর্ঘ্য হবে M ও M+1 মিমি এর কাছাকাছি কোন মান। M মিমি পর্যন্ত মান আমরা প্রধান স্কেল দ্বারা নির্ণয় করতে পারব কিন্তু এর বাড়তি মান টুকু আমরা ভার্নিয়ার স্কেলের সাহায্যে বের করে নিব যাকে ভার্নিয়ার পাঠ (F) বলে।
ভার্নিয়ার পাঠ (F) বের করার ক্ষেত্রে লক্ষ্য করি ভার্নিয়ার স্কেলের কোন দাগটি প্রধান স্কেলের কোন একটি দাগের সাথে ভালোভাবে বা কাছাকাছি মিলেছে। ভার্নিয়ার স্কেলের এই দাগই হচ্ছে ভার্নিয়ার সমপাতন (v)।
সুতরাং আয়তাকার ম্যাচটির দৈর্ঘ্য, (L) = প্রধান স্কেল পাঠ (M)+ ভার্নিয়ার স্কেল পাঠ (F)
— (+ ত্রুটি)
= প্রধান স্কেল পাঠ (M)+ ভার্নিয়ার সমপাতন (v)
– ভার্নিয়ার ধ্রুবক (vc) —(+ e)
:. L = (M)+v–vc — (+ e)
একইভাবে আমরা ম্যাচটির প্রস্থ (B) ও উচ্চতা (H) নির্ণয় করি।
:. আয়তাকার ম্যাচটির ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য–প্রস্থ বর্গ একক
:. ক্ষেত্রফল, A= L–B “
ম্যাচটির আয়তন, A= দৈর্ঘ্য–প্রস্থ–উচ্চতা ঘন একক
= L–B–H