নার্ভাসনেসকে ‘গুডবাই’ বলে দিলো নেপাল

স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে ম্যাচটিকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবেও নিয়েছি। এই চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। বিশ্বকাপের মত বড় একটি আসরে প্রথমবারের মত খেলতে আসার আগে দলের সবাই কমবেশি নার্ভাস ছিল। তবে ওই নার্ভাসনেস এখন আর নেই। অধিনায়ক থেকে শুরু করে দলের বাদবাকি খেলোয়াড়, কর্মকর্তাসহ সকলেই বলছেন, নার্ভাসনেসটা অন্তত জয় দিয়ে কাটিয়ে ফেলতে পেরেছেন তারা। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হংকংয়ের বিরুদ্ধে বড় জয় পেয়ে বদলে গেছে গোটা নেপাল টিম। বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় ম্যাচের আগে তাই অন্তত স্নায়ুচাপে ভুগছে না বলেই দাবি করছে দলটি। গতকাল সোমবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের কাছে এভাবেই দলের অবস্থান তুলে ধরলেন টি-২০ বিশ্বকাপে সদ্য অভিষিক্ত নেপালের অধিনায়ক পরশ খাড়কা। বললেন, ‘রবিবার চট্টগ্রামে যা করেছি তাতে আমরা ভীষণ খুশি। বিশ্বকাপে আসার আগে খুব নার্ভাস ছিলাম। তবে এখন আমাদের কারো মধ্যেই এ সমস্যাটি আর নেই। হংকংয়ের বিরুদ্ধে জয় পেয়ে ছেলেরা এখন দারুণ আত্মবিশ্বাসী। বিশ্বকাপ সম্পর্কে অহেতুক ভীতিটাও আর নেই।’ আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামে স্বাগতিক বাংলাদেশের মুখোমুখি হচ্ছে পরশ খাড়কারা। গত রবিবার এ মাঠেই হংকংয়ের বিরুদ্ধে বড় জয় পেয়েছিল নেপাল। বাংলাদেশের মত টেস্ট প্লেয়িং দেশের বিরুদ্ধে খেলতে পারাকে পরম সৌভাগ্য হিসেবে মেনে নিয়েই পরশ বললেন, ‘আমরা এতোদিন বাংলাদেশের খেলা টিভিতে দেখেছি। এবার তাদের মুখোমুখি হচ্ছি আমরা। এটা আমাদের কাছে নতুন কিছু শেখার মত একটি ব্যাপারও। পাশাপাশি স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে ম্যাচটিকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবেও নিয়েছি। এই চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। ’ বাংলাদেশকে হারানোর ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করে পরশ বলেন, ‘হংকংয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে যে জায়গায় শেষ করেছিলাম বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেখান থেকেই আবার শুরু করতে চাই। টি-২০ ম্যাচের ভাগ্য যে কোনো সময়ে বদলে যেতে পারে। ২৪০ বলের যে কোনো পর্যায়ে খেলার ধারা পাল্টে যেতে পারে। জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে আমাদের প্রচুর সমর্থকও রয়েছে। তাই এ টুর্নামেন্টে পজিটিভ কিছু করার ব্যাপারে আমরা খুবই আশাবাদী।’