হাতিয়ার মেঘনায় ভাসমান লাশ দুটি উদ্ধার

হাতিয়া উপজেলার তিনটি স্থানে মেঘনা নদীতে কোস্টগার্ডের সদস্যরা তিন অজ্ঞাত পরিচয় লাশের সন্ধান পেলেও গতকাল সোমবার বিকাল পর্যন্ত দুইজনের লাশ উদ্ধার করতে পেরেছে পুলিশ। অপর লাশ উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে। গত শুক্রবার থেকে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়ন এলাকার মেঘনা নদীর তীরে কয়েক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ ভেসে আসে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রবিবার বিকাল পর্যন্ত পুলিশ খুঁজে লাশের সন্ধান করতে পারেনি। একই সময় নদীতীর এলাকায় কোস্টগার্ড সন্ধানে অভিযানে নামে। গতকাল সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কোস্টগার্ড সদস্যরা চরকিং-এর বগলার খাল, কিল্লার খাল ও সুখচর ইউনিয়নের বউবাজার এলাকায় তিনটি লাশের সন্ধান পায়। কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার হামিদুর রহমান জানান, লাশ তিনটি উদ্ধারের জন্য হাতিয়া থানার ওসিকে খবর দেন। লাশগুলো পচে গেছে এবং তাদের পেটে গুলির চিহ্ন রয়েছে। লাশগুলো স্থানীয় অধিবাসীদের বলে কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার ধারণা করছেন। হাতিয়া থানার ওসি সৈয়দ ফজলে রাব্বী জানিয়েছেন, কোস্টগার্ডের তথ্যের ভিত্তিতে বগলার খাল থেকে দুপুর পৌনে বারোটার দিকে অজ্ঞাত (২৭) এবং দুপুর আড়াই টার দিকে কিল্লার খাল এলাকা থেকে অজ্ঞাত (৪২) দুই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নোয়াখালীর এসপি আনিসুর রহমান পিপিএম জানান, লাশ উদ্ধারের জন্য পুলিশের ৫টি টিম হাতিয়ার নদী এলাকার তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে। গত ১১ মার্চ রাতে চরকিং ইউনিয়নের জাগলার চরে র্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত ডাকাত আলাউদ্দিনকে গ্রেফতার করে পরদিন পুলিশে সোপর্দ করে। এর আগে দুই ডাকাত দলের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ হয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ কয়েক ডাকাত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। গুলিতে নিহত এসব ডাকাতের লাশ নদীতে ভাসছে বলে এলাকার মানুষের ধারণা। এলাকাবাসী বলছেন, বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মোট আটজন নিহত হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। ইতিপূর্বে নিহতদের এসব লাশকে মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানের যাত্রীদের বলে ধারনা করা হলেও তা সঠিন নয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।