জোকস
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০১৪, ১৯:৫৩
খ্যাতনামা ইংরেজ লেখক চেস্টারটন বেশ মোটাসোটা ছিলেন। অন্যদিকে তার সমসাময়িক আরেক বিখ্যাত সাহিত্যিক জর্জ বার্নার্ড শ ছিলেন এর বিপরীত। একে তো তার স্বাস্থ্য ছিল একেবারেই রোগাটে তার ওপর তিনি বেশ অনেকটা লম্বাও ছিলেন। তো একদিন এক জমায়েতে চেস্টারটনের দিকে তাকিয়ে ঠাট্টাচ্ছলে শ’ বলেছিলেন, ‘তোমার মতো মোটা হলে আমি গলায় দড়ি দিয়ে মরতাম।’
উত্তরে চেস্টারটনের সপ্রতিভ উত্তর ‘হুমম! গলায় দড়ি দেবার কথা ভাবলে আমি অবশ্য তোমাকেই দড়ি বানাতাম!’
বিখ্যাত কবি ও সমালোচক স্যামুয়েল জনসন একবার তার বন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পারলেন যে তার সময়ের একজন নামকরা কলামিস্ট রাজনৈতিক কলাম লেখায় সময় না দিয়ে ইদানিং রূপচর্চাতেই বেশি সময় দিচ্ছেন। বিষয়টি শোনার পর জনসন মন্তব্য করেছিলেন, ‘অন্যের চরিত্রে কালিমা লেপনের চেয়ে নিজের গালে কালিমা লেপন উত্তম কাজ!’
একবার এক ডিনার পার্টিতে খাওয়াদাওয়া শেষে সবাই খুব করে মার্ক টোয়েনকে ধরলো একটা বক্তৃতা দেওয়ার জন্য। মার্ক টোয়েন প্রথমটায় আপত্তি করলেও তারপর সবার চাপাচাপিতে আর না করতে পারলেন না। তবে তিনি একটা শর্ত দিলেন। তিনি জানালেন, আজ আর তিনি কোনো বক্তৃতা করবেন না, বরং একটা গল্প শোনাবেন। মার্ক টোয়েন বলতে শুরু করলেন, ‘রোমান সম্রাটরা যে এরিনাতে বন্দি ও ক্ষুধার্ত সিংহকে একসঙ্গে ছেড়ে দিয়ে মজা দেখতো এ তো আপনারা জানেনই। তো এভাবে একবার এক কবিকে ছেড়ে দেওয়া হলো সিংহের সামনে। সিংহটা যথারীতি এগিয়ে গেল কবির দিকে। কিন্তু কবির কাছাকাছি যেতেই তার কী একটা কথা শুনে যেন সিংহটা পিছু হটে গেল। এরিনা থেকে ফিরে আসার পর কৌতূহলী সম্রাট বিষয়টির ব্যাখ্যা চাইলেন। তখন কবি বললেন, আমি শুধু সিংহটাকে বলেছিলাম যে আমাকে খাচ্ছো খাও, তবে খাওয়ার পর এ বিষয়ে একটা বক্তৃতা দিও। আর তাই শুনেই সিংহটা...।’