বশেমুরবিপ্রবি (গোপালগঞ্জ) সংবাদদাতা
নার্সের ভুল ইনজেকশনের কারণে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্রী মরিয়ম সুলতানা মুন্নীর (২০) জীবন সংকটে। খুলনার শহিদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে প্রায় ৩০ ঘণ্টা ধরে নিবিড় পরিচর্চা কেন্দ্র (আইসিইউ) রাখার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।
শিক্ষার্থীর বাবা মো. মোশারফ হোসেন বলেন, পিত্ত থলিতে পাথরজনিত সমস্যায় মঙ্গলবার সকালে তাকে (মুন্নী) অস্ত্রোপচার করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত নার্স শাহনাজ পারভিন গ্যাসের ইনজেকশনের বদলে এনেসথেসিয়া ইনজেকশন প্রয়োগ করে। ভুল ইনজেকশন প্রয়োগে মুন্নী সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাকে খুলনা নিয়ে আইসিইউতে রাখা হয়। জ্ঞান হারানোর পরে ৩৩ ঘণ্টা পার হলেও মুন্নীর অবস্থার অবনতি দেখে ডাক্তাররা তাকে ঢাকা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। আশা করি মেয়েটি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। ইতোমধ্যে ড. মাসুদুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। ওই নার্স দোষী সাব্যস্ত হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মুন্নীর চাচা জাকির হোসেন বাদী হয়ে দুইজন নার্স ও একজন ডাক্তারের নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন।