ভারত মহাসাগরে নতুন বস্তুর চিত্র পেয়েছে চীন

মালয়েশিয়ার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়া যাত্রীবাহী বিমানটির কোনো কিনারা না পেয়ে সামান্য সম্ভাবনার কথা শোনামাত্র সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছে মালয়েশিয়া। তিনদিন আগে অস্ট্রেলিয়া বলেছিল তারা স্যাটেলাইট চিত্রে দক্ষিন ভারত মহাসাগরে দুটি বস্তু দেখতে পেয়েছে। এগুলো বিমানের ধ্বংসাবশেষ হতে পারে মনে করে মহাসাগরে তন্ন তন্ন করে খোঁজা হয়। কিন্তু কোনো বস্তু পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে ভারত মহাসাগরে গতকাল নতুন স্যাটেলাইট চিত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছে চীন। মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। তারা বলেছে, চীন ভারত মহাসাগরে এমন একটি বস্তুর উপগ্রহ চিত্র পেয়েছে যা নিখোঁজ বোয়িং-৭৭৭ বিমানটির ভগ্নাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মালয়েশিয়া সরকারের পরিবহন মন্ত্রী হিশামউদ্দিন হোসেন তার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংকালে গতকাল বলেন, ওই নতুন উপগ্রহ চিত্রে প্রায় ২২ মিটার দীর্ঘ একটি বস্তুটি দেখা যাচ্ছে। তিনি জানান, চীন সরকার এখন উপগ্রহ চিত্রগুলো পরীক্ষা করে দেখছে। ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ দিকে একটি জায়গায় ওই বস্তুটি খুঁজে পাওয়া গেছে বলে বলা হয়েছে। বলা হচ্ছে, এটি দু’সপ্তাহ আগে ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে নিখোঁজ হওয়া মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং-৭৭৭ বিমানটির ভগ্নাংশ হতে পারে। এর কয়েকদিন আগে প্রকাশ করা উপগ্রহ চিত্রে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম উপকূলের পার্থ শহর থেকে প্রায় ১৩শ’ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে সাগরে দুটি বস্তু ভাসতে দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট একে ‘নিখোঁজ বিমানটির কি পরিণতি হয়েছে তার প্রথম বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ বলে অভিহিত করেছিলেন। এরপর দক্ষিণ ভারত মহাসাগর এলাকায় আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়। এই অনুসন্ধানে দীর্ঘ সময় ধরে উড়তে পারে এমন বিমান যোগ দেয়, যাতে আরো কাজ করছে অস্ট্রেলিয়ান নৌবাহিনীর নৌযান এবং কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ। অস্ট্রেলিয়ান একজন বৈমানিক বলেছেন, মেঘ ও কুয়াশার জন্য সাগরের দুর্গম ওই এলাকাটির পরিস্থিতি অনুসন্ধানের খুব অনুকূল নয়। খবর এএফপির।