চট্টগ্রামে ২০২০-এ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হবে ২৯ লাখ
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০১৪, ২১:৩১
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃক ২০২০ সালে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং-এর পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২৯ লক্ষ কন্টেইনার। চট্টগ্রাম বন্দর বর্তমানে বছরে প্রায় ১৫ লক্ষ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে থাকে। আর সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর পূর্ণমাত্রায় অপারেশনে গেলে ২০৩৬ সালে চট্টগ্রামে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং দাঁড়াবে ৫৬ লক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দরের সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানের ওপর আয়োজিত এক কর্মশালায় উপরোক্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়। গত শনিবার নগরীর একটি হোটেলে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে চট্টগ্রাম বন্দরের মাস্টার প্ল্যান তৈরী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় দেশি-বিদেশি বন্দর বিশেষজ্ঞ এবং বন্দর ব্যবহারকারীগণ অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রকল্পের কনসালটেন্ট জার্মানির হামবুর্গ পোর্ট কনসালটিং (এইচপিসি) ও জার্মানির কেএস কনসালটেন্ট-এর বিশেষজ্ঞগণ। এ সকল প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞগণ চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান কন্টেইনার ও বাল্ক কার্গো হ্যান্ডলিং কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে যে সকল প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা উল্লেখ করেন। একইসাথে বন্দরের দক্ষতা আরো বৃদ্ধির ক্ষেত্রে করণীয় দিকগুলোও তুলে ধরেন।
কর্মশালায় মাস্টার প্ল্যান তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞগণ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার দ্রুত বন্দর থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে পৌঁছে দিতে রেল ও নদীপথে পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। এতে বলা হয়, বর্তমানে মাত্র ৬ থেকে ৭ ভাগ কন্টেইনার রেলযোগে পরিবহন করা হয়। অথচ রাজস্থান পোর্টে শতকরা ৬০ ভাগ কন্টেইনার রেলযোগে পরিবহন করা হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের গৃহীত দীর্ঘমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী ও স্বল্পমেয়াদী প্রকল্পগুলো তুলে ধরেন।
চট্টগ্রাম বন্দর মাস্টার প্ল্যানের কনসালটেন্ট জার্মানির এইচপিসি-এর পিটার ডাব্লিউ কারড্রেবিং এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন খ্রিটিনা প্রিজার, ওয়েরনার স্কেনক্রিস, নোরবার্ট পিটস, ওয়াহিদুল আলম. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, নূরুল কাইয়ুম খান, রেজাউল করিম, মাহফুজুল হক শাহ চৌধুরী প্রমুখ।