র্যাংকিংয়ে শীর্ষে থেকেই বিশ্বকাপে সাকিব

অলরাউন্ডার হিসেবে ক্রিকেট দুনিয়ায় সাকিব আল হাসানের খ্যাতি ছড়িয়েছিল ওয়ানডে ফরম্যাট দিয়েই। আইসিসির র্যাংকিংয়ে প্রথমবার শীর্ষ অলরাউন্ডারের অবস্থানে এসেছিলেন এই ফরম্যাটেই এবং লম্বা সময় এই একদিবসী ক্রিকেটেই দাপট দেখিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের এক সপ্তাহ আগে আবারও শীর্ষে ফিরলেন বাংলাদেশের সহঅধিনায়ক। আইসিসির ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে এক নম্বর অলরাউন্ডারের স্থান ফিরে পেয়েছেন সাকিব।

আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের পারফরম্যান্স দিয়ে আবারও অলরাউন্ডারদের শীর্ষে উঠে আসলেন সাকিব। এবার এক নম্বরে এসেছেন তিনি আফগানিস্তানের রশিদ খানকে পেছনে ফেলে। ক্যারিয়ারের একটা সময় ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই সবার উপরে ছিলেন তিনি। অবশ্য গত কিছুদিনে তিন ফরম্যাটেই দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার।

আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে সৃাকিবের পারফরম্যান্সই মূল ভূমিকা পালন করেছে র্যাংকিংয়ে তার উত্তরণে। ত্রিদেশীয় সিরিজে ৩ ম্যাচ খেলে দুটিতে অপরাজিত ছিলেন। দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। রান করেছেন সর্বমোট ১৪০। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে উইকেট নিয়েছিলেন দুটি। ফাইনালটা খেলতে পারেননি সাইড স্ট্রেইনের কারণে। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে রশিদ খান খুব ভালো করতে পারেননি। দুই ওয়ানডেতে দুটি উইকেট নিয়েছেন এবং রান করেছেন ১৬।

অলরাউন্ডারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৫৯ রেটিং পয়েন্ট এখন সাকিবের। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রশিদ খানের রেটিং পয়েন্ট ৩৩৯। তিন নম্বরেও আছেন আরেক আফগান ক্রিকেটার। মোহাম্মদ নবীর রেটিং পয়েন্ট ৩১৯। চতুর্থ স্থানে পাকিস্তানের ইমাদ ওয়াসিম ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনার। এছাড়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় সেরা অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ রয়েছেন ২৬ নম্বরে।

টেস্টে এক নম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জ্যাসন হোল্ডাব, সাকিব দুইয়ে। টি-২০ তেও সাকিবের অবস্থান একই। শীর্ষে অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।