নীলফামারীর সৈয়দপুরে শিল্প পার্ক স্থাপনের দাবি
আমীরুজ্জামান, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০১৪, ২২:১৯
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নীলফামারীর সৈয়দপুরে শিল্প পার্ক স্থাপনের দাবি উঠেছে। অবশ্য এই দাবির যৌক্তিকতাও রয়েছে। কেননা উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য বিসিক শিল্পনগরীগুলো যখন গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। সেখানে সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীতে ছোট-বড় শিল্প-কারখানায় ভরে গেছে এবং জায়গার অভাবে শিল্প উদ্যোক্তারা নতুন করে শিল্প স্থাপন করতে পারছেন না।
তত্কালীন মহকুমা নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থানের সূত্র ধরেই সেসময় এখানে গড়ে উঠে অবিভক্ত ভারতের আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা। পূর্ব থেকেই সৈয়দপুর শহর ব্যবসা-বাণিজ্য সমৃদ্ধ ছিল বলেই পাক উপনিবেশ আমলে এই শহর পায় মহানগরীর (সিটি) মর্যাদা। সেসময় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের ৬টি বৃহত্ নগরীর মধ্যে সৈয়দপুরের অবস্থান ছিল ৫ম বৃহত্তম।
সৈয়দপুর শহর বৃহত্তর রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের মধ্যস্থিত বলেই এটি হয়ে উঠেছে অত্রাঞ্চলের বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু শহর। এই শহরে রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক আমদানি ও রপ্তানিকারক। যাদের মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যেও এই শহর রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। শিল্পায়নের অংশ হিসেবে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৈয়দপুর-নীলফামারীর মধ্যস্থিত কাজীরহাটে সংগলশীতে গড়ে তোলেন উত্তরা ইপিজেড। এখানে বর্তমানে ১০টি ফ্যাক্টরি চালু আছে এবং আরও একাধিক ফ্যাক্টরি প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। এখানে শিল্প স্থাপনে প্রচুর মুনাফার প্রয়োজন হওয়ায় মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা ঠাঁই পাচ্ছেন না। ফলে তারা সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীতে আবেদন করেছেন। বিসিক শিল্পনগরী সম্প্রসারণের জন্য চিঠি চালাচালি ও মন্ত্রীর আশ্বাসের পরেও অদ্যাবধি বাস্তবায়ন হয়নি। এ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর বণিক সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্পের সম্প্রসারণ খুবই জরুরি। এজন্য বিসিক শিল্পনগরী সম্প্রসারণের জায়গা অধিগ্রহণ করে শিল্প পার্ক স্থাপনের দাবি জানান তিনি।