মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে তদন্ত সংস্থা

মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা কি ছিল সে বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে তদন্তকারী সংস্থা। আজ মঙ্গলবার যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কাছে এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হবে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বিগত মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে। সংশোধনীতে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনকেও বিচারের আওতায় আনা হয়। এরপরই মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচার শুরু হয়। ইতিমধ্যে জামায়াতের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকজন নেতা ও বিএনপির দুই নেতার বিচার হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাদেরকে দণ্ড দেয়ার পাশাপাশি ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর্যবেক্ষণে জামায়াতকে ‘অপরাধী সংগঠন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ সংক্রান্ত রায়ের পর গত বছরের ১৮ আগস্ট জামায়াতের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। দীর্ঘ আট মাস ধরে চলে তদন্ত। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রস্তুত করা হয় তদন্ত প্রতিবেদন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংগঠনের বিচারের কথা উল্লেখ করা হলেও শাস্তি বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা হয়নি। তবে রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে, ১৮৯৭ সালের জেনারেল ক্লজেজ অ্যাক্টে ‘ব্যক্তি’র (পারসন) সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, কোম্পানি, অ্যাসোসিয়েশন বা ব্যক্তিগোষ্ঠীও ‘ব্যক্তি’ বিবেচিত হবে। সে ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের আইনে ২০ ধারায় উল্লেখিত ‘ব্যক্তির’ মধ্যে সংগঠনও পড়বে। আর ট্রাইব্যুনালের যেকোনো সাজা দেয়ার ক্ষমতা আইনেই আছে।