পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে সোনার নৌকা উপহার প্রসঙ্গে সংসদে প্রশ্ন
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০১৪, ২২:৩৭
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সোনার নৌকা উপহার পাওয়া ও পরে তা বিক্রি করে টাকা দান করার বিষয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য এ কে এম মাইদুল ইসলাম। গতকাল সোমবার প্রশ্নোত্তর পর্বে এক লিখিত প্রশ্নে তিনি আইনমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন, কিছুদিন আগে পত্রপত্রিকায় খবর প্রকাশ হয়েছে- একজন প্রতিমন্ত্রী একটি সোনার নৌকা উপহার নিয়েছেন। পরে তিনি বিব্রতকর অবস্থায় সোনার নৌকা বিক্রি করে এই অর্থ এতিমখানায় দান করেছেন। আমার জানামতে আইনে আছে ৫০০ টাকা মূল্যের ওপরে কিছু উপহার নিলে তা বঙ্গভবনের তোষাখানায় জমা দিতে হয়। এই আইনটি বর্তমানে চালু আছে কিনা?
জবাবে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ-মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং সরকারি কর্মচারীদের দেয়া উপহার রাষ্ট্রীয় তোষাখানায় জমা প্রদান সংক্রান্ত ‘তোষাখানা আইন-১৯৭৪’ এখনো কার্যকর রয়েছে। আইন অনুযায়ী, যেসব ব্যক্তির ক্ষেত্রে এর সংশ্লিষ্ট বিধি প্রযোজ্য হবে তারা কোনো উপহার পেলে ওই উপহারের প্রকৃতি নির্দেশ করে তার মূল্য বিচারের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে রিপোর্ট করতে হয়।
প্রসঙ্গত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর নিজের নির্বাচনী এলাকায় সোনার নৌকা ও সোনার কোটপিন উপহার পেয়েছিলেন শাহরিয়ার আলম। পরে বিভিন্ন মহলের সমালোচনার মুখে মন্ত্রী উপহার হিসেবে পাওয়া সোনার নৌকা বিক্রি করে সেই অর্থ ‘প্রত্যাশা’ নামের স্থানীয় একটি প্রতিবন্ধী শিশু সংস্থায় দান করেন এবং ভবিষ্যতে তাকে আর এ ধরনের উপহার না দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
জেলা পর্যায়ে আদালত বৃদ্ধি প্রক্রিয়াধীন
বিচারকার্য ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধির পক্রিয়া অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।