রামগঞ্জে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সার

রামগঞ্জ উপজেলার পৌরসভা ও ইউনিয়নগুলোর হাটবাজারে চড়ামূল্যে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সার। সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে চড়ামূল্যে কৃষকদের সার কিনতে বাধ্য করছে। আকরতমা গ্রামের মোহাম্মদ আলী, রহমত, চন্ডিপুর গ্রামের মাহবুব, ফিরোজ, নয়নপুর গ্রামের হারিছ মিয়া, মোকসুদ, অজিউল্যাহ, আলীপুর গ্রামের রহমতসহ অনেক কৃষক জানান, ডিলারদের দোকানে লাল কাপড়ে সারের খুচরা মূল্য কম লেখা থাকলেও ডিলাররা অনেক বেশি দামে সার বিক্রি করছে। সরকার কৃষকের কথা চিন্তা করে প্রতি কেজি সারে ৩৩ টাকা ভর্তুকি দিয়ে ইউরিয়া ১৫.৬০ টিএসপি ২২ এমওপি ১৫, ডিএপি ২৭ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে ইউরিয়া ২২-২৫, টিএসপি ৩৫-৪০, এমওপি ২২-৩০, ডিএপি ৩৫-৪০ টাকা দরে কিনতে হয়। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলাব্যাপী ইউরিয়া ২,৪১৬ মেট্রিক টন, টিএস পি ৪,০৭০ মেট্রিক টন, ডিএপি ৬১২ মেট্রিক টন, এমওপি ৫৬৩ মেট্রিক টনসহ সর্বমোট ৭,৬৬১ মেট্রিক টন সারের চাহিদা রয়েছে। যাহা ইতিমধ্যে ১১ জন বিসিআইসি ডিলার ও ৪৬ জন আইডি কার্ডধারী ডিলারের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ কৃষকরা জানান, চড়ামূল্যে সারবিক্রির বিষয়টি তারা কৃষি অফিসারকে বার বার জানালেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। উপজেলা কৃষি অফিসার জসিমউদ্দিনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি কোন বক্তব্য দেননি।