এজেন্ট ব্যাংকিং এ সবোর্চ্চ ২৫ হাজার
টাকা লেনদেন করা যাবে
প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০১৪, ২০:৩১
ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিতদের সেবায় আওতায় নিতে চালু হওয়া এজেন্ট ব্যাংকিং শুধু পল্লী এলাকায় এলাকায় পরিচালনা করা যাবে। আর প্রতিবারে সবোর্চ্চ ২৫ হাজার টাকা জমা অথবা উঠানো যাবে। দিনে দুবার জমা ও উত্তোলন করা যাবে। প্রতি এজেন্টকে অবশ্যই সংশি¬ষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে চলতি হিসাব থাকতে হবে, যার সবোর্চ্চ স্থিতি হবে ১০ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে ব্যাংকগুলোতে এ নির্দেশনা মানার কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করার অনুমোদনের জন্য এজেন্টসমূহের সঙ্গে যে চুক্তি সম্পাদন করা হবে তার নমুনা কপি, এজেন্ট ব্যাংকিং সংক্রান্ত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ কতৃর্ক অনুমোদিত এজেন্ট ব্যাংকিং সংক্রান্ত নীতিমাল দাখিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিআরপিডিতে আবেদন করতে হবে। ব্যাংকগুলোর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা সম্পর্কিত অনুমোদন বিআরপিডি হতে প্রদান করা হবে। এর আওতায় ব্যাংক তার নিজস্ব নীতিমালার আলোকে এজেন্ট নিয়োগ করতে পারবে। এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিবীক্ষণের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত এজেন্টসমূহের তালিকা এবং সম্পাদিত চুক্তির কপি প্রাসঙ্গিক দলিলাদিসহ বাংলাদেশ ব্যাংক এর গ্রিন ব্যাংকিং এন্ড সিএসআর বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।
আরো বলা হয়েছে, এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশি¬ষ্ট ব্যাংকের সাথে প্রত্যেক এজেন্ট এর একটি চলতি হিসাব রাখতে হবে। উক্ত হিসাবের সর্বোচ্চ স্থিতি হবে ১০ লক্ষ টাকা । গ্রাহক পর্যায়ে প্রতিক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা নগদ জমা অথবা উত্তোলন করা যাবে এবং দৈনিক সর্বোচ্চ দুই বার নগদ উত্তোলন ও দুই বার নগদ জমা করা যাবে। তবে অন্তমুর্খী রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে উত্তোলনের এ সীমা প্রযোজ্য হবে না।
ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ২৬গ ধারার ব্যাখ্যাংশে বর্ণিত ‘ব্যাংক-সংশ্লি¬ষ্ট কোন ব্যক্তি’ কে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে না। এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পল¬ী এলাকায় অর্থাত্ মেট্রোপলিটন/ সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভা এলাকার বাইরে পরিচালনা করতে হবে। শরিয়াহ্ ভিত্তিক পরিচালিত ব্যাংকসমূহ কেবলমাত্র এজেন্ট পর্যায়ে ইসলামী ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে পারবে এবং এজেন্ট পর্যায়ে গ্রাহকদের লেনদেনকৃত অর্থ বীমা আচ্ছাদনের আওতায় আনতে হবে।