আমদানি করা কয়লা দিয়ে বিদ্যুত্ উত্পাদনে ব্যয় কমবে

উত্পাদন খরচ কমিয়ে আনতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত্ উত্পাদনের প্রতি মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদে তরল জ্বালানি দিয়ে বিদ্যুত্ উত্পাদন কাম্য নয়। কারণ তা ব্যয়বহুল। দেশে গ্যাসের স্বল্পতার কারণে কয়লা আমদানি করে বিদ্যুত্ উত্পাদন খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব। ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (আইবিসিসিআই) এবং ভারতীয় হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের সুযোগ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেছেন। আইবিসিসিআই-এর বিশেষ উপদেষ্টা আব্দুল মাতলুব আহমেদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. এসএ সামাদ। বক্তব্য রাখেন, বিদ্যুত্ সচিব মনোয়ার ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ সরণ ও চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আলী। পঙ্কজ সরণ বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়িক সম্ভাবনার দিকগুলো উল্লেখ করে বলেন, বিগত কয়েক দশকে বাংলাদেশের লক্ষণীয় উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু অনেক ভারতীয় বাংলাদেশের এ উন্নয়ন সম্পর্কে অবগত নয়। এছাড়া সেমিনারে বিভিন্ন সেশনে অংশগ্রহণ করেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব আবুল কালাম আজাদ, ভারতের সাবেক বিদ্যুত্ সচিব আর. ভি. শাহী, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম. তামীম, এডিবি’র বাংলাদেশে জ্বালানি উপদেষ্টা পল স্টিফেন হ্যাটে প্রমুখ। সিনিয়র সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, কুইক রেন্টালের কারণে বিদ্যুতের দাম বাড়েনি। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে তেল দিয়ে বিদ্যুত্ উত্পাদন করায়। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুত্ উত্পাদন করতে গেলে ৫ থেকে ৭ বছর সময় লাগে।