রেলের সাড়ে ৪ হাজার একর জমি বেদখল
প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০১৪, ২১:২৩
রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক বলেছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের কোনো ভূমি বেহাত হয়নি। তবে বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি ৪ হাজার ৬৩৫ দশমিক ৫১ একর ভূমি অবৈধভাবে দখলে নিয়েছে। রবিবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি সংসদে এ তথ্য দেন। মন্ত্রী জানান, অবৈধ দখলদাররা রেলভূমির দখল বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন আদালতে অসত্য তথ্য দিয়ে মামলা করে রেখেছে। ফলে অবৈধ দখল থেকে ভূমি উদ্ধারে আইন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সোহরাব উদ্দিন এর অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সারাদেশে মোট লেভেল ক্রসিং গেইটের সংখ্যা ২ হাজার ৫৪১টি। এরমধ্যে অনুমোদিত গেইট ১ হাজার ৪২০টি, অননুমোদিত ১ হাজার ১২১টি। এছাড়া বর্তমানে স্থায়ী গেইটম্যান রয়েছে ১৫১ জন ও অস্থায়ী ৬৮৮ জন।
শওকত হোসেনের অপর প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, পদ্মা সেতু নির্মাণের সঙ্গে সঙ্গে সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা-ভাঙ্গা-যশোর রেলপথ নির্মাণের জন্য এডিবি’র অর্থায়নে ‘টেকনিক্যাল এসিসটেন্স ফর সাব রিজিওয়ানাল রেল ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট প্রিপারেটরী ফ্যাসিলিটি’ প্রকল্পের মাধ্যমে সমীক্ষা কার্যক্রম চলমান আছে।
এদিকে রাজধানীতে অধিকতর লক্কড় ঝক্কর মার্কা যানবাহন চলাচল বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত আছে। এজন্য বিআরটিএ’র ৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ বাহিনীর সহায়তায় নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংসদে জানিয়েছেন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মন্ত্রী জানান, রাজধানীর যত্রতত্র স্টপেজ, গাড়ি থামানো এবং মনগড়া ভাড়া বন্ধে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। যাত্রীদের কাছ থেকে যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সেজন্য নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, যাত্রীদের কাছ থেকে যেন মনগড়া ভাড়া আদায় করতে না পারে সেজন্য নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট প্রদর্শনের জন্য বাস মালিকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া বাস মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে তাদের অবহিত করা হচ্ছে।