ঝিনাইদহে কাঁটাতারের বেড়ার ফাঁক দিয়ে গরু পাচার
প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০১৪, ২২:১০
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পিপুলবাড়িয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের নোনাগঞ্জ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়ার ভিতর একটি ফুকট তৈরি করে গরু পাচার করছে চোরাচালানিরা। স্থানটি জঙ্গলাকীর্ণ এলাকা। কলা বাগানে ঘেরা।
ফুকটের ভিতর দিয়ে গরু আনে চোরাচালানিরা। তারা গরু আনার পর লুকিয়ে রাখে। তারপর সরকারের নির্ধারিত ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে দেশের অভ্যন্তরে পাঠায়। আর চোরাচালানে রাখালরা ওপার থেকে একটি গরু কাঁটাতারের বেড়ার এপারে আনতে পারলে ৫শ’/ ৭শ’ টাকা মজুরি পেয়ে থাকে বলে।
যশোর পুটখালী সীমান্ত দিয়ে বেশিসংখ্যক গরু আসছে। তাছাড়াও চুয়াডাঙ্গা মুন্সিপুর সীমান্ত দিয়েও গরু পাচার হয়ে আসছে। এ দুটি জায়গাতে কাঁটাতারের বেড়া নেই। আর এ সুযোগ নিয়েছে গরু চোরাচালানিরা। ভারত থেকে চোরাচালান হয়ে আসা গরু এপারে আসার পর বিজিবি’র মাধ্যমে কাস্টমস করিডোরে নিয়ে গরু প্রতি ৫শ’ টাকা করে ভ্যাট আদায় করা হয়। ভ্যাট দেয়ার পর চোরাচালানের গরু বৈধ হয়ে যায়।
বিজিবি’র যশোর ২৬ ব্যাটালিয়নের পরিচালক কর্নেল মতিউর রহমান জানান, তার ব্যাটালিয়ন এলাকার মহেশপুরের পলিয়ানপুর সীমান্ত পথে কিছু গরু আসে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত ২৫শ’ ৮৮টি গরু বিজিবি আটক করে। এতে ভ্যাট বাবদ সরকারের ১২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। বিজিবি’র চুয়ডািঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের পরিচালক কর্নেল মনিরুজ্জামান বলেন, এ ব্যাটালিয়নের এলাকা দিয়ে এ বছরের ৩০ মার্চ পর্যন্ত ২৭ হাজার ৮৮০টি গরু এসেছে। এতে ভ্যাট বাবদ সরকারের এক কোটি ৩০ লাখ ৪০ হাজার টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাট আদায়ের পর গরু ছেড়ে দেয়া হয়।