অবিশ্বাস্য হেরাথ, সেমিফাইনালে লঙ্কা

বয়স ৩৬-এর কোঠায়। মুত্তিয়া মুরালিধরনের সম-সাময়িক বলে টেস্ট-ওয়ানডেতে খুব একটা খেলাই হয়নি। আর টি-টোয়েন্টিতে কেউ তাকে ডাকারও প্রয়োজন বোধ করে না। কিন্তু সেই বুড়ো ষাঁড়ের ভেলকিই দেখা গেল গতকাল চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। অতিমানবীয় কিছু ডেলিভারি দিয়ে সেই রঙ্গনা হেরাথ একাই বের করে নিলেন ম্যাচ। মাত্র ১২০ রান তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ঠিক অর্ধেক পথ এসে থেমে গেল। এর সুবাদে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৯ রানের জয় দিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল শ্রীলঙ্কা। দিনের প্রথম ইনিংসটা অবশ্য অন্যরকম আভাসই দিয়ে রেখেছিল। একের পর এক উইকেট পতনের মিছিলে ২০ ওভারের পুরোটাও খেলতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ১৯ ওভার দুই বলে অল আউট হবার আগে মাত্র ১১৯ রান করে শ্রীলঙ্কা। সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে মাহেলা জয়াবর্ধনের ব্যাট থেকে। নিউজিল্যান্ডের জয়ে জিমি নিশাম ও ট্রেন্ট বোল্ট তিনটি করে উইকেট নেন। ১২০ রান টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে বড় কোন টার্গেট নয়। কিন্তু সেই টার্গেটটাকে একাই বড় করে দিলেন রঙ্গনা হেরাথ। নিজে একাই নিয়েছেন পাঁচটি উইকেট। সাথে দুটি রান আউটও এসেছে তার হাত ধরে। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও উঠেছে হেরাথের হাতেই। ম্যাচ শেষে বোলিং ফিগারটা অতিমানবীয় এক রূপ ধারণ করলো — ‘৩.৩-২-৩-৫’! আঙ্গুলে ব্যথার কারণে ব্যাট করতে নামতেই পারেননি কোরি অ্যান্ডারসন। কে জানে! তিনি নামলে হয়তো গতকালই বিশ্ব রেকর্ডটা পেয়ে যেতেন হেরাথ!