২৩ উপজেলায় ১৮ দলের নির্বাচন বর্জন

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থী কর্তৃক কেন্দ্র দখল, জাল ভোটে ব্যালট বাক্স ভরাট করা, বিরোধী প্রার্থীদের এজেন্টদের বিতাড়িত করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ২৩টি উপজেলায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় বিরোধী এবং বিদ্রোহী প্রার্থীরা। বর্জনকারী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় একশ’।ভোট শুরুর দেড় ঘণ্টার মাথায় মুন্সীগঞ্জ লৌহজং দিয়ে শুরু হয় বর্জন। ভোটগ্রহণের শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩টি উপজেলা। উপজেলাগুলো হলো-টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, লক্ষ্মীপুর সদর ও রামগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা, জামালপুরের মাদারগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও রূপগঞ্জ, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, বরগুনার বামনা ও আমতলী, সাতক্ষীরা সদর, তালা, কলারোয়া ও দেবহাটা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, ময়মনসিংহের গফরগাঁও, ফেনীর ছাগলনাইয়া, পাবনার তারাবুনিয়া, বরগুনার পাথরঘাটা, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম এবং কুমিল্লার চান্দিনা। এসব উপজেলায় ভোট বর্জনকারী প্রার্থীরা পুনঃভোটের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবাদে আজ বিভিন্ন উপজেলায় হরতাল ডেকেছে ১৮ দলীয় জোট। যেসব উপজেলায় আজ হরতাল ডাকা হয়েছে সেগুলো হলো : চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গায় আধা বেলা এবং সাতক্ষীরার সদর, তালা ও দেবহাটা, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও রূপগঞ্জ এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, ফেনীর ছাগলনাইয়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা। ভোট বর্জনকারি প্রার্থীদের মধ্যে জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিএনপি-সমর্থিত একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও সদরে বিএনপি, জাতীয় পার্টি (জাপা), স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ১১ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিএনপি ও জাপা-সমর্থিত প্রার্থীসহ চারজন, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সাতজন, ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিএনপি-সমর্থিত একজন, চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গায় ১১ জন, বরগুনার পাথরঘাটা, আমতলী ও বামনা উপজেলায় ২০ জন, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে একজন এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে দুজন প্রার্থীসহ প্রায় একশ’ জন রয়েছেন এই ২৩ উপজেলায়।