জুরাইনে টেম্পোস্ট্যান্ড দখল নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

গাড়ি ভাংচুর, আহত ৫ কদমতলীর জুরাইনে মঙ্গলবার সকালে টেম্পোস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫ জন। এ সময় ৮টি অটোরিকশা ও টেম্পো ভাংচুর হয়েছে। ঘটনার জেরে ওই এলাকায় প্রায় একঘণ্টা আশপাশের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জুরাইন টেম্পুস্ট্যান্ডটি দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণ করছে কেন্দ্রীয় ওলামা লীগ সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় নেতা নূরনবী। মঙ্গলবার সকালে শ্যামপুর থানা শ্রমিক লীগ সভাপতি বিল্লাল হোসেন ও কদমতলী থানা সভাপতি মনির হোসেনের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন লোক টেম্পোস্ট্যান্ডটি দখলে নিতে গেলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। বিল্লাল ও মনির গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে টেম্পোস্ট্যান্ডে ঢুকে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করে। খবর পেয়ে দেলোয়ার ও নূরনবী গ্রুপের লোকজন এসে অপর পক্ষকে ধাওয়া করে। এভাবে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। এতে দু’জন চালকসহ কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। জুরাইনের এ স্ট্যান্ডে প্রতিদিন শতাধিক টেম্পো, লেগুনা ও অটোরিকশা চলাচল করে। প্রতিদিন গাড়িপ্রতি ৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করে নিয়ন্ত্রণকারীরা। এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি টেম্পোস্ট্যান্ডটি পরিচালনা করছেন। মঙ্গলবার বিল্লাল ও মনির গ্রুপ দখলে নেয়ার চেষ্টা করলে চালকরা তাদের প্রতিরোধ করে। তবে বিল্লাল হোসেনের দাবি, দেলোয়ার ও নূরনবী গ্রুপ অবৈধভাবে স্ট্যান্ড দখলে নিয়ে চাঁদাবাজি করছিল। এর প্রতিবাদ করতে গেলে তারা হামলা চালায়।