শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার পাইকুড়া-ঝিনাইগাতী সড়কের কাঁটাখালি ব্রিজটি সাত বছর ধরে খালের পানিতে বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এলাকাবাসীর বহু আবেদন নিবেদন সত্ত্বেও এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। অগত্যা গ্রামবাসী নিজেদের প্রয়োজনে যাতায়াতের জন্য বিধ্বস্ত ব্রিজের পাশেই বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করেছেন। এ পথেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পাইকুড়া অঞ্চলের ১০/১২টি গ্রামের মানুষ চলাচল করে।
সরেজমিনে গ্রামবাসী জানান, উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি ২০১০ সালের পাহাড়ি ঢলে দু’পাশের সংযোগ সড়কের মাটি সরে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তখন গ্রামবাসীই স্বেচ্ছাশ্রমে ব্রিজটির সঙ্গে বাঁশ কাঠ দিয়ে মূল সড়কের দু’পাশে সাঁকো তৈরি করে যাতায়াতের পথ সুগম করে। কিন্তু ২০১২ সালে গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের প্রবল স্রোতে ব্রিজটি পুরোপুরি ভেঙে খালের পানিতে পড়ে যায়। তখন থেকেই ব্রিজটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে ‘কেয়ার’ কর্তৃপক্ষ ৪০ ফুট দীর্ঘ ব্রিজটি নির্মাণ করেছিল। কিন্তু দু’দফা ঢলের পানির তোড়ে ব্রিজটি সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। ইতোমধ্যে ঐ স্থানে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য সয়েলটেস্টসহ আনুষঙ্গিক কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটির অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।