প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা : বাংলা, ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

‘বইয়ের পাতায় প্রদীপ জ্বলে’ বাংলা মো. সুজাউদ দৌলা প্রভাষক(বাংলা) রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা বই :হুমায়ুন আজাদ প্রশ্ন-৩। বইয়ের পাতায় প্রদীপ জ্বলে বইয়ের পাতা স্বপ্ন বলে।’ কথাটি ব্যাখ্যা কর। উত্তর: ‘বই’ কবিতাটি কবি হুমায়ুন আজাদ রচিত। এ কবিতায় কবি বইয়ের বিভিন্ন গুণের কথা তুলে ধরেছেন। ‘বইয়ের পাতায় প্রদীপ জ্বলে’-বলতে যা বোঝায়: বই সুন্দর ও শুভ চিন্তা ভাবনার কথা বলে। মনের স্বপ্ন জাগিয়ে তোলে। মনকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে। আমাদের মনে শুভ ভাবনার প্রদীপ জ্বালিয়ে দেয়। সেই আলোয় আমরা ভালো মন্দ বিচার করতে পারি। স্বার্থপরতা ও মন্দ চিন্তাকে দূর করে ভালো মানুষ হয়ে উঠি। কবি ‘বইয়ের পাতায় প্রদীপ জ্বলে’-বলতে এ বিষয়টিই বুঝিয়েছেন। গদ্য : শখের মৃিশল্প প্রশ্ন-১। মাটির শিল্প বলতে কী বুঝি? উত্তর: মাটির শিল্প বলতে মাটির তৈরি শিল্পকর্মকে বোঝায়। এদেশের সবচেয়ে প্রাচীন শিল্প হচ্ছে মাটির শিল্প বা মৃিশল্প। মাটির শিল্প বলতে যা বুঝি: মাটিকে প্রধান উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে যে শিল্পকর্ম তৈরি করা হয়, সেটাই মাটির শিল্প। মাটির শিল্পের জন্য প্রয়োজন পরিষ্কার এঁটেল মাটি। এঁটেল মাটি হলেই শিল্পের কাজ হয় না। এজন্য প্রচুর শ্রম আর নৈপুণ্য প্রয়োজন। এছাড়াও প্রয়োজন হয় বিভিন্ন প্রকার সরঞ্জামের। মাটির শিল্প যেমন- বিভিন্ন প্রকার হাঁড়ি পাতিল বানাতে সবার আগে প্রয়োজন হয় কাঠের চাকার। তবে মাটির শিল্প সৃষ্টি কুমোরদের কাছে খুব সহজ কাজ। কারণ কুমোররা বংশপরম্পরায় এসব কাজ করে আসছে। কুমোররা বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে মাটি দিয়ে যেসব শিল্পকর্ম সৃষ্টি করে, সেটাই মাটির শিল্প। প্রশ্ন-২। বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকর্ম কোনটি? উত্তর: পোড়ামাটির ফলক বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন শিল্পকর্ম। এ শিল্পকর্মের কাজ শুরু হয়েছে প্রায় হাজার বছর আগে। প্রাচীন শিল্পকর্ম: পোড়ামাটির ফলককে বলা হয় টেরাকোটা, কাদামাটিকে ছাঁচে ফেলে বিভিন্ন প্রকার নকশা সৃষ্টি করা হয়। তারপর এই নকশাকাটা মাটিকে রোদে শুকানো হয়। শুকানো হলে আগুনে পোড়ানো হয়। পোড়ানো এসব নকশা বেশ শক্ত হয়। টেরাকোটার আকৃতি অনেকটা ইটের মতো। টেরাকোটার উপরের পিঠে নকশা করা থাকে। শালবন বিহার, মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর বৌদ্ধ সতূপ, দিনাজপুরের কান্তজির মন্দির ও বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদে প্রাচীন টেরাকোটার সন্ধান পাওয়া গেছে। টেরাকোটা বা পোড়ামাটির ফলক সবচেয়ে প্রাচীন শিল্পকর্ম। এগুলো আমাদের ঐতিহ্য ও গর্বের বস্তু। প্রশ্ন-৩। শখের হাড়ি কী রকম? উত্তর: শখের হাঁড়ি যে রকম: কুমোররা কাদা মাটিকে কাঠের চাকার ওপর রাখে। তারপর চাকা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তৈরি করে হাঁড়ি। তারপর এ সব হাঁড়ি শুকিয়ে আগুনে পোড়ায়। পোড়ালে হাঁড়ি শক্ত হয়ে যায়। তখন এসব হাঁড়িতে রঙ দিয়ে বিভিন্ন নকশাকে ফুটিয়ে তোলে। নিপুণ হাতে তারা আঁকে বিভিন্ন প্রকার ফুল আর মাছ। তখন এসব হাঁড়ি দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। মানুষ শখ করে এসব হাঁড়ি কেনে। এসব হাঁড়িতে শখের জিনিস রাখা হয়। প্রশ্ন-৪। বৈশাখী মেলায় কী কী পাওয়া যায়? উত্তর: বৈশাখী মেলায় যা যা পাওয়া যায়: বৈশাখী মেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বস্তু হলো মাটির শিল্প। মাটির তৈরি বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া যায় বৈশাখী মেলায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো শখের হাঁড়ি। মানুষ শখ করে নকশা আঁকা এসব হাঁড়ি কেনে। এছাড়াও রয়েছে মাটির বিভিন্ন প্রকার টেপা পুতুল। আরো আছে মাছ, হাতি, ঘোড়া, বাঘ, বর-কনে, নথ পরা বউ পুতুল ইত্যাদি। বাঁশের তৈরি বিভিন্ন জিনিস যেমন- কুলো, ডালা, ঝুড়ি, চালুন, মাছ ধরার চাঁই ইত্যাদিও পাওয়া যায় বৈশাখী মেলায়। মুড়ি মুরকি, বাতাসা আর জিলাপি পাওয়া যায় মেলার এক পাশে। এছাড়াও পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রকার ফল। যেমন- বাঙি, তরমুজ, আনারস, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি। কুরআন মাজিদ আল্লাহ তায়ালার কালাম ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান,সহকারি শিক্ষক পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়,পিরোজপুর চতুর্থ অধ্যায়: কুরআন মাজিদ শিক্ষা শূন্যস্থান পূরণ করো প্রশ্ন:কুরআন মাজিদ আল্লাহ তায়ালার—। উত্তর: কুরআন মাজিদ আল্লাহ তায়ালার কালাম। প্রশ্ন:কালাম অর্থ—। উত্তর: কালাম অর্থ বাণী। প্রশ্ন:কুরআন মাজিদ সর্বশেষ—কিতাব। উত্তর: কুরআন মাজিদ সর্বশেষ আসমানি কিতাব। প্রশ্ন:—হলেন সর্বশেষ নবি ও রসুল। উত্তর:মহানবি (স) হলেন সর্বশেষ নবি ও রসুল। প্রশ্ন:কুরআন মাজিদের হেফাজতকারী —। উত্তর: কুরআন মাজিদের হেফাজতকারী আল্লাহ। প্রশ্ন:কুরআন মাজিদ তেলাওয়াতের উদ্দেশ্য—। উত্তর: করআন মাজিদ তেলাওয়াতের উদ্দেশ্য চারটি। প্রশ্ন:কুরআন মাজিদের ভাষা —। উত্তর: কুরআন মাজিদের ভাষা আরবি। প্রশ্ন:মাখরাজ,ইদগাম,গুন্নাহ ইত্যাদি আলোচনা করা হয়—। উত্তর: মাখরাজ,ইদগাম,গুন্নাহ ইত্যাদি আলোচনা করা হয় তাজবিদে। প্রশ্ন:আরবি হরফ উচ্চারণের স্থানকে—বলে। উত্তর: আরবি হরফ উচ্চারণের স্থানকে মাখরাজ বলে। প্রশ্ন: আরবি বর্ণ—টি। উত্তর: আরবি বর্ণ ২৯টি। প্রশ্ন:আরবিতে মাখরাজ—টি। উত্তর: আরবিতে মাখরাজ ১৭টি। প্রশ্ন:বিরাম চিহ্নকে আরবিতে — বলে। উত্তর: বিরাম চিহ্নকে আরবিতে ওয়াক্ফ বলে। প্রশ্ন:কুরআন মাজিদে সর্বপ্রথম ওয়াক্ফ ব্যবহার করেন—। উত্তর: কুরআন মাজিদে সর্বপ্রথম ওয়াক্ফ ব্যবহার করেন আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে তাইফুর। প্রশ্ন:— ব্যবহার করে উচ্চারণ করাকে গুন্নাহ বলে। উত্তর: নাক ব্যবহার করে উচ্চারণ করাকে গুন্নাহ বলে। প্রশ্ন:গুন্নাহর হরফ— টি। উত্তর: গুন্নাহর হরফ ২টি। প্রশ্ন: সুরা কুরাইশ—অবতীর্ণ হয়। উত্তর: সুরা কুরাইশ মক্কায় অবতীর্ণ হয়। প্রশ্ন:সুরা কুরাইশের আয়াত সংখ্যা —টি। উত্তর: সুরা কুরাইশের আয়াত সংখ্যা ৪ টি। সংক্ষেপে উত্তর দাও প্রশ্ন:কুরআন মাজিদ পাঠের উদ্দেশ্য কয়টি ? উত্তর: কুরআন মাজিদ পাঠের উদ্দেশ্য চারটি। প্রশ্ন:মাখরাজ কয়টি ? উত্তর: মাখরাজ সতেরটি। প্রশ্ন:কণ্ঠনালির হরফ কয়টি? উত্তর: কণ্ঠনালির হরফ ছয়টি। প্রশ্ন:জ,যাল,ছা কোথা থেকে উচ্চারিত হয়? উত্তর:জিহবার অগ্রভাগ সামনের ওপরের দুই দাঁতের সাথে লাগিয়ে উচ্চারিত হয়। প্রশ্ন:ওয়াও,বা,মিম কোথা থেকে উচ্চারিত হয়? উত্তর:দুই ঠোঁট থেকে উচ্চারিত হয়। প্রশ্ন:কুরআন মাজিদ কার কালাম ? উত্তর: কুরআন মাজিদ আল্লাহ তায়ালার কালাম। প্রশ্ন:কালাম অর্থ কী ? উত্তর: কালাম অর্থ বাণী। প্রশ্ন: সর্বশেষ আসমানি কিতাব কোনটি? উত্তর: কুরআন মাজিদ । প্রশ্ন:কে সর্বশেষ নবি ও রসুল ? উত্তর:মহানবি (স) । প্রশ্ন:কুরআন মাজিদের হেফাজতকারী কে? উত্তর: কুরআন মাজিদের হেফাজতকারী আল্লাহ। প্রশ্ন:করআন মাজিদ তেলাওয়াতের উদ্দেশ্য কয়টি ? উত্তর: করআন মাজিদ তেলাওয়াতের উদ্দেশ্য চারটি। প্রশ্ন:কুরআন মাজিদের ভাষা কী ? উত্তর: কুরআন মাজিদের ভাষা আরবি। প্রশ্ন:মাখরাজ,ইদগাম,গুন্নাহ ইত্যাদি আলোচনা করা হয় কোথায় ? উত্তর: মাখরাজ,ইদগাম,গুন্নাহ ইত্যাদি আলোচনা করা হয় তাজবিদে। প্রশ্ন:আরবি হরফ উচ্চারণের স্থানকে কী বলে ? উত্তর: আরবি হরফ উচ্চারণের স্থানকে মাখরাজ বলে। প্রশ্ন: আরবি বর্ণ কয়টি ? উত্তর: আরবি বর্ণ ২৯টি। প্রশ্ন:আরবিতে মাখরাজ কয়টি ? উত্তর: আরবিতে মাখরাজ ১৭টি।