পাঁচ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুত্ থাকে না
বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
গত ২১ দিন যাবত্ বাজিতপুরের ১৩৬টি গ্রামের ২৭ হাজার পল্লীবিদ্যুত্ গ্রাহকের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। পবিত্র রমজানে তারাবি, সাহেরি, ইফতারি কোনো সময় বিদ্যুত্ থাকে না। বাজিতপুর পৌর এলাকার আংশিক এবং গাজীরচর, বলিয়ারদী, দিলালপুর, মাইজচর, দিঘীরপাড় ইউনিয়নে পল্লীবিদ্যুতের আওতায় গ্রামবাসীদের এ দুর্ভোগ কবে কাটবে- তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না।
বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চলতি মে মাসের ২ তারিখ ঝড়ের কারণে বিদ্যুত্ চলে যায় এবং এক নাগাড়ে চারদিন বিদ্যুত্ বন্ধ থাকে। এরপর বিদ্যুত্ আসলেও দিনরাত ২৪ ঘণ্টায় থেমে থেমে চার/পাঁচ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুত্ থাকে না। কখনো কখনো ২৪ ঘণ্টায় এক মিনিটের জন্যও বিদ্যুত্ আসে না।
বলিয়ারদী ইউপি মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন বলেন, এ জাতীয় বিদ্যুত্ থাকার চেয়ে একেবারে না থাকা ভালো।
গাজীরচর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. হান্নান বলেন, আমরা আর সইতে পারছি না। ডিজিটাল এ যুগে বিদ্যুতের এহেন অবস্থা চলতে পারে না। আমরা এ ব্যাপারে আন্দোলন গড়ে তুলবো।
পল্লীবিদ্যুতের কুলিয়ারচর জোনাল অফিসের ডিজিএম মকবুল হোসেন চৌধুরী জানান, আমরা আশুগঞ্জ থেকে বিদ্যুত্ পেয়ে থাকি। সম্প্রতি সেখানে ৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পাওয়ার ট্রান্সফরমারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায়, নিয়মিত বিদ্যুত্ সরবরাহ করা যাচ্ছে না। তবুও আমরা অন্যভাবে কিছুটা হলেও বিদ্যুত্ সরবরাহের চেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি জানান, ঈদের পর ছাড়া এ অবস্থার পরিবর্তন হবে বলে মনে হচ্ছে না।