চট্টগ্রাম কাস্টমসের রপ্তানি কার্যক্রম পেপার লেস করা হচ্ছে

চট্টগ্রাম কাস্টমসকে আরো প্রযুক্তি নির্ভর এবং রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে চট্টগ্রাম কাস্টমসের রপ্তানি কার্যক্রমকে আরো দ্রুত ও গতিশীল করার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানা যায়। এক্ষেত্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে কাস্টমসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সকল সিদ্ধান্ত অনলাইনে দেয়া হবে। রপ্তানিকারক কিংবা তার পক্ষে সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান রপ্তানির ক্ষেত্রে যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেবে তার বিপরীতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণের সিদ্ধান্ত ও ফাইলের অবস্থা অনলাইনে জানা যাবে। চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মাসুদ সাদিক জানান, শিগগিরই চট্টগ্রাম কাস্টমসের একটি বিভাগকে পেপার লেস করা হবে। কাস্টমসের পক্ষ থেকে কোন কাগজপত্র দেয়া হবে না। তিনি এক্ষেত্রে রপ্তানি শাখার ব্যাপারে জোর দেন। ২০০৮ সাল থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমসকে ব্যাপকভিত্তিক অটোমেশন কার্যক্রমের আওতায় আনা শুরু হলেও এ প্রথম কোন শাখাকে পেপার লেস করা হচ্ছে। কারণ কাস্টমস হাউসের কার্যক্রমকে পেপার লেস করা হবে। এদিকে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃক রাজস্ব আদায়েও কতিপয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানা যায়। বিশেষ করে চট্টগ্রামের আমদানিকারক কিন্তু দেখা যায়, পণ্যসমূহ ঢাকা আইসিডি কিংবা মংলা বন্দরের মাধ্যমে ছাড়করণ করা হয়। রিকন্ডিশন্ড ইঞ্জিনসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি, সিআই শীট, গাড়িসহ কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ পণ্য চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃক শুল্কায়ন করা হয় না। অথচ ওই সকল পণ্যের বিরাট অংশের আমদানিকারকগণ চট্টগ্রামের। তাছাড়া পণ্যসমূহ আবার সড়ক পথে চট্টগ্রামে আনা হয়। চট্টগ্রাম কাস্টমসের পক্ষ থেকে এ সকল পণ্যের বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা যায়।