পীরগঞ্জে বরাদ্দ না থাকায় আখিরা মরা নদীর খনন কাজ বন্ধ

পীরগঞ্জে চেরাগপুর পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার আখিরা মরা নদীর খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বিএডিসি (সেচ) এ খাল খননে ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। কিন্তু ওই খালের অবশিষ্ট আরও ৬ কিলোমিটার খনন না করায় এর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহতের পাশাপাশি ১৫ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। জানা গেছে, উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর থেকে কাবিলপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুরে মূল আখিরা নদীতে সংযোগ স্থাপনকারী মরা নদীটির রামনাথপুর ইউনিয়নের চেরাগপুর পর্যন্ত ১৪ কি:মিটার খনন করা হয়। বিএডিসি (সেচ)’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে ওই নদী খনন কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। অর্থ বরাদ্দ না থাকায় বিষ্ণুপুর পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার খনন করা হয়নি। ফলে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে। উপজেলা বিএডিসি সেচ’র ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী-আব্দুর রহমান জানান, কর্তৃপক্ষ ওই মরা নদী খননের জন্য ৮০ লাখ টাকা ব্যয় বরাদ্দ দিয়ে দরপত্র আহবান করে। সে মোতাবেক ৭টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ প্রাপ্তির পর জানুয়ারিতে খনন কাজ শুরু করে। তত্কালীন জাতীয় সংসদ সদস্য খনন কাজের উদ্বোধন করেন। গত সপ্তাহে সিডিউল মোতাবেক খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আরও ৬ কি:মি: খননের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে বাকি অংশও খনন করা হবে। অভিজ্ঞমহলের মতে, ওই মরা নদী খনন করে মূল আখিরা নদীর সাথে সংযোগ করা হলে নদীর দু’পাশে শত শত হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। বাকি অংশ খনন করা না হলে এর মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে না। বরং জনদুর্ভোগ বেড়ে যাবে। বিএডিসি (সেচ) রংপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল আলম বলেন, ১ বছরের যে টার্গেট ছিলো তার বাইরে যাওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। তবে পীরগঞ্জের নামে একটি উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের অপেক্ষায়। তাতে ২০ কি:মি: নদী বা খাল খনন আছে।