কাঁকড়া নদীতে সেতুর গোড়া থেকে অবাধে বালু উত্তোলন

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে কাঁকড়া নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করায় কাঁকড়া সেতুটির ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে। চরম হুমকির মধ্যে রয়েছে সেতুটি। যে কোন সময় সেতুটির ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। দিনাজপুর-পার্বতীপুর সড়কের কারেন্টহাট নামক স্থানে কাঁকড়া নদীতে সেতুর নিচ থেকে অবৈধভাবে অবাধে বালু উত্তোলন করায় সেতুর পিলারের নিচে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন ২০০/৩০০ ট্রাক্টর বালু সেতুর পিলারের কাছ থেকে উত্তোলন করায় বর্তমানে সেতুটি চরম হুমকির মধ্যে পড়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসীসহ আউলিয়াপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান হাছিবুর হাসান হাছিম বাবু ও কারেন্টহাট মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জালাল উদ্দীন মজুমদার, কারেন্টহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমদাদুল হক পিলারের কাছ থেকে বালু উত্তোলন না করার জন্য বার বার বালু উত্তোলনকারীদের নিষেধ করলেও ইজারাদারের নির্দেশে তারা কর্ণপাত করছে না। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সেতুর কিনারা থেকে ৭০ মিটার দূর হতে বালু উত্তোলনের বিধান থাকলেও ইজারাদার আতিকুর হাজি তা তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে অবাধে সেতুর নিচে পিলারের কাছ থেকে ও কিনারা থেকে বালু উত্তোলন করে চলেছে। কাঁকড়া নদীর কিনারা থেকে বালু উত্তোলন করায় নদী ভাঙ্গনে কারেন্টহাট মহাবিদ্যালয় মাঠের পূর্ব পার্শ্বে অবস্থিত উন্নতমানের শহীদ মিনারটি নদী ভাঙ্গনের কারণে নদীতে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অবাধে বালু উত্তোলন করায় ইতিমধ্যে কয়েকশ’ ঘর-বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে সেতুর নিচ থেকে ও নদীর কিনার হতে বালু উত্তোলন বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, যারা অবৈধভাবে কাঁকড়া নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে তাদের বিরুদ্ধে অচিরেই কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।