বটিয়াঘাটায় রাস্তা খুঁড়ে বালি ফেলে একবছর কাজ বন্ধ

উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন পরিষদ (আমতলা) থেকে আন্ধারিয়া পর্যন্ত ইটের রাস্তা পিচ দেয়ার কথা বলে খুঁড়ে তার উপর বালু ঢেলে রাস্তাটি সেভাবেই ১ বছর ধরে ফেলে রাখা হয়েছে। রাস্তার উপর দিয়ে হাঁটতে গেলে বালিতে পায়ের গোঁড়ালি পর্যন্ত ডুবে যায়। এই বালুরাশির উপর দিয়ে কোনো যানবাহনই চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছে এলাকার লাখ লাখ মানুষ। এটি উপজেলা সদরের দিকে যাবার প্রধান পথ। তাছাড়া এলাকার বিভিন্ন গ্রামের ছাত্রছাত্রীদের স্কুল ও কলেজে যাবার মূল রাস্তা এটাই। এর বাইরে কৃষক তাদের ফসল নিয়ে এবং অসুস্থ মানুষ জেলা শহর এবং উপজেলার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি মুহূর্তে যেতে পারছে না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় সংসদ সদস্যের বরাদ্দকৃত ফান্ডের সহায়তায় গত ২০১২/১৩ অর্থবছরে ৯/৫/১৩ তারিখ ঠিকাদারকে কাজের নির্দেশ দেয়া হয়। খুলনার রফিক এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজের নির্দেশ পেয়ে রাস্তার ইট খুঁড়ে ফেলে। তারপর রাস্তার ইট তুলে বালি ফেলে রাখায় ভোগান্তির শেষ নেই। রাস্তার এই বেহাল দশা নিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, এবছর ২০ মার্চের মধ্যে কাজ সমাপ্তির নির্দেশ ছিল। কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে ৭টি চিঠি দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে রফিক এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী ঠিকাদার রফিকুজ্জামানের নিকট ফোনে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ব্যক্তিগত অর্থে রাস্তায় কিছু কাজ করা হয়েছে। এমপি ফান্ডের টাকা হলেও এপর্যন্ত কোন বিল দেয়া হয়নি। তবে এবছর জুনের ভিতর কাজটি শেষ করে ফেলার চেষ্টা করবো। খুলনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, রাস্তার কাজটি দ্রুত শেষ করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।