তো মা দে র চি ঠি থে কে
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:২৪
মো. আরিফুল ইসলাম
কচি-কাঁচার আসরের প্রিয় বন্ধুরা, প্রতি সপ্তাহে আমি আসরের জন্য অপেক্ষা করি, যখন পত্রিকাটি হাতে পাই তখন মনে কী যে আনন্দ লাগে তা মুখে প্রকাশ করে বোঝাতে পারবো না। তার চেয়ে বেশি আনন্দ লাগছিলো ২৬-১২-২০১২ তারিখে। কারণ সেই সময় আমার একটি লেখা ছাপানো হয়েছে। কচি-কাঁচার আসরে সবচেয়ে প্রিয় হলো ছড়া-কবিতা / আমার প্রিয় বই/ আমার প্রিয় স্কুল/ ছোটমণিদের আঁকা ছবি, তাছাড়া অন্য লেখাসমূহ। তাই দৈনিক ইত্তেফাকের কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিনে জানাই শুভ জন্মদিন। আমি এই আশা করি যে, আগামী দিনগুলোতে পত্রিকার কচি-কাঁচার আসরে আরো ভালো লেখা পড়তে পারবো।
সদস্য নম্বর: ৩০৭৮
পশ্চিম জিন্নাগড় নূ. আলিম মাদ্রাসা, চরফ্যাশন, ভোলা।
খুশবু খন্দকার
আমি খুশবু খন্দকার কচি-কাঁচার আসরের একজন সক্রিয় সদস্য। গত ২ এপ্রিল ছিল কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিন। ঐদিন কচি-কাঁচার আসর প্রথম ইত্তেফাকের পাতায় প্রকাশিত হয়। এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে কিশোর-কিশোরী কচি-কাঁচারা তাদের প্রতিভা প্রকাশ করে, আমিও সুযোগ পেয়েছি। আমি যখন এই আসরের জন্য কিছু লিখি তখন আমি নিজেকে গর্বিত মনে করি। এই কচি-কাঁচার আসর থেকেই বড় বড় কবি-সাহিত্যিক সৃষ্টি হয়েছে। আজকে যারা বড় বড় কবি-সাহিত্যিক, তাদের অনেকের প্রথম লেখা ছাপা হয়েছে এই আসরে। কচি-কাঁচার আসরের ভাই-বোনদের জন্য শিশুদের ওপর বিভিন্ন রিপোর্ট প্রকাশের জন্য অতিরিক্ত একটি পাতা নির্ধারণ করলে এই আসর থেকে অনেক রিপোর্টারের সৃষ্টি হতো। আমার প্রত্যাশা— শিশুদের জন্য কচি-কাঁচার আসর আরও নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। ভাই-বোনদের জন্য রইল শুভ কামনা।
সদস্য নম্বর: ১৯২৫, চুয়াডাঙ্গা।
মোহাম্মদ মুন্নু
গত ২ এপ্রিল ছিলো কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিন। জন্মদিনে আমি শুভেচ্ছা জানাই কচি-কাঁচার আসরের সকল সদস্য ভাইবোনকে এবং শ্রদ্ধা জানাই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতাকে। বুধবার এলেই আমার মন অধীর আগ্রহে থাকে, কখন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা আমার কাছে আসবে। ১৯৫৫ সালের এই দিনে কচি-কাঁচার আসরের প্রথম যাত্রা শুরু হয়। দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার হাত ধরে। সেই থেকে কচি-কাঁচার আসর আজঅবধি চলছে নিজের গতিতেই। ইত্তেফাক পত্রিকার সংবাদগুলো নির্ভুল। বাংলাদেশের এমন একটি পত্রিকাই আছে যেখানে ছোট-বড় সব বয়সের লেখকদের লেখা স্থান পায়।
ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ফরিদপুর
মো. শরিফুল ইসলাম
কচি-কাঁচার আসরের সকল বন্ধু ও সদস্যদের জানাই একগুচ্ছ ফুলের শুভেচ্ছা। আশাকরি তোমরা সকলেই ভালো আছো। গত ২ এপ্রিল ছিল কচি-কাঁচার আসরের ৫৯তম জন্মদিন। ১৯৫৫ সালের এপ্রিলের ২ তারিখে প্রথম কচি-কাঁচার আসর প্রকাশিত হয়। সেই থেকে পথ চলা। আজও চলছে। দেশের সাহিত্য পত্রিকাগুলোর মধ্যে কচি-কাঁচার আসর শ্রেষ্ঠ স্থান দখল করে আছে। আর এই পত্রিকাটি যার উদ্যোগে প্রকাশ করা হয় তিনি হলেন ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। তারই স্মরণে আমি আমার সালাম ও শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। কচি-কাঁচার আসরের ভেতর ছাপানো হয় এ দেশের নামজাদা লিখিয়েদের গল্প-ছড়া-কবিতা। তাছাড়া আঁকিয়েদের আঁকা ছবিও ছাপানো হয়। এ আসরের সদস্যদের লেখা ও ছবি ছাপানো হয়। আরও ছাপানো হয় আমার কথা, আমার প্রিয় স্কুল ও বই, ছোটমণিদের সন্দেশসহ বিভিন্ন বিভাগ। এগুলো খুব সুন্দরভাবে সাজানো-গুছানো, যেন মন কাড়ার মতো। পাঠকদের মনের ভিতর ফুলে-ফেঁপে ওঠে আনন্দের জোয়ার। যতো পড়ে ততই পড়তে চায় মন। পাঠকদের মন সতেজ করে দেয়। কচি-কাঁচার আসর আছে সবার মাঝে আনন্দের বাহক হয়ে এবং থাকবে চির থেকে চিরকাল ধরে।
লায়ন নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ, টাংগাইল।
সদস্য নম্বর: ১৯২৩।
শেখ মাহবুবা তাসনিম মায়া
আমি শেখ মাহবুবা তাসনীম মায়া। আমার সদস্য নম্বর: ১১৫৪। আমি কচি-কাঁচার আসরের জন্মদিন উপলক্ষে একটি শুভেচ্ছা বার্তা লিখে পাঠালাম। অনুগ্রহপূর্বক তা ছাপালে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। ১৯৫৫ সালের ২ এপ্রিল ইত্তেফাকের পাতায় কচি-কাঁচার আসর প্রকাশিত হয়। কচি-কাঁচার আসর বর্তমানে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। গত বুধবার ৫৯ বছরে পা রেখেছে। কচি-কাঁচার আসর জ্ঞান, আনন্দ ও মজার আসর। এটি সকলের ভালোবাসার আসর। আমি বেশি একটা লেখা না পাঠালেও প্রতি বুধবার আমি কচি-কাঁচার আসর পড়ি। এটি আমার অনেক ভালো লাগে। তাই আজকের এইদিনে কচি-কাঁচার আসরের জন্য রইল শুভ কামনা এবং শুভেচ্ছা। আমি চাই কচি-কাঁচার আসরের আরো অগ্রগতি এবং আরো উন্নতি।
সদস্য নম্বর: ১১৫৪, গুলশান সেন্ট্রাল স্কুল, গুলশান, ঢাকা-১২১২।
আবেদীন জনী
কচি-কাঁচার আসর শিশুদের সবচেয়ে প্রিয় সাহিত্য পাতা। শিশুদের সৃজনশীলতার সুষ্ঠু বিকাশের জন্য এটি অনন্য। সাবলীল লেখা ও রেখায় সমৃদ্ধ। কচি-কাঁচার আসরে আমার প্রথম লেখা ছাপা হয় ২০০২ খ্রিস্টাব্দে। যখন সেই সংখ্যাটি হাতে পেলাম, তখন কী যে আনন্দ লাগছিল। তারপর অনেক অনেক লেখা ছাপা হয়েছে। এখানে লেখা ছাপা হলে যে আনন্দ পাই, অন্য কিছুতে পাই না। সবশেষে কচি-কাঁচার আসরের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি।
মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।