সামাজিক সংলাপে ক্রেতাদের প্রতি আহবান

শ্রমিকদের মানবাধিকার চাইলে পোশাকের দর বাড়ান

শ্রমিকদের মানবাধিকার এবং আর্থিক নিরাপত্তা চাইলে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পোশাক পণ্যের দর বাড়াতে হবে বিদেশি ক্রেতাদের। এ বিষয়ে ‘বাংলাদেশি পোশাক শ্রমিককল্যাণ তহবিল’ গঠনের প্রস্তাব করেছে সামাজিক সংলাপের বক্তারা। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিক ইউনিয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে এ নিয়ে কোন রকম হীন রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল না করার জন্য দলগুলোর প্রতিও আহবান জানিয়েছেন তারা। ‘পোশাক শিল্পে মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক এবং স্থিতিশীল উন্নয়ন: জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মহলের ভুমিকা’ এ বিষয়ের ওপর আয়োজিত সামাজিক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। গতকাল রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইন্সটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) এবং এফইএস। আলোচনায় অংশ নিয়ে শ্রমসচিব মিকাইল শিপার বলেন, রানাপ্লাজা ধস এবং তাজরীনের অগ্নিকান্ডের পর সত্যিই একটা ক্রান্তিকাল পার করছে পোশাক খাত। বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার দুই ক্রেতা জোটের চলমান কারখানা পরিদর্শনে কিছু ত্রুট পাওয়া যেসব কারখানা বন্ধ হচ্ছে, সেসব কারখানা এবং শ্রমিকদের পরিণতি সম্পর্কে একটা রোডম্যাপ প্রয়োজন। ইতিমধ্যে কারখানার ১০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। আন্লর্জাতিক শ্রমিক সংগঠনের জোটের (আইটিইউসি) সভাপতি মিকাইল সোমার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বিলসের সভাপতি হাবিবুর রহামান সিরাজের সভাপতিত্বে ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রায় রমেশ চন্দ্র, জার্মান রাষ্ট্রদূত আলব্রেক্ট কোনজি, সলিডারিটি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক অ্যালেঞ্জো সুসনসহ পোশাক খাতের শ্রমিক নেতারা বক্তব্য রাখেন।