সালোয়ার-কামিজে যুগের হাওয়া

যুগের সঙ্গে নারীদের সালোয়ার- কামিজের ডিজাইন। তবে এই পোশাকের নামের পরিবর্তন হয় না। কিন্তু ডিজাইনে কিছুটা পরিবর্তন আসে। এ বছর চলছে সেমি লং কামিজ। এই কামিজ নারীরা পরেছে কিছুটা লুজ ফিটিংভাবে। প্রতিটি শপিংমলে পাওয়া যাচ্ছে সালোয়ার-কামিজ। বড়-ছোট সবাই এই পোশাকটি স্বাচ্ছন্দ্যে পরতে পারেন। ফলে এ পোশাকের চাহিদা থাকে সারা বছর।

এক সালোয়ার-কামিজের নামই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ওয়ানপিস-টুপিস-থ্রিপিস-ফোরপিস নামে পরিচিত। তবে এসব পোশাকের চাহিদা ব্যাপক। কামিজের মধ্যেও রয়েছে নানান ডিজাইন। কোনটিতে হাতে ডিজাইন করা, কোনটি আবার ফ্রোকের মতো কোমরে কুচি ডিজাইন করা। তবে সেটা নামে কামিজ। সালোয়ারেও ডিজাইন থাকে। ফ্যাসন সচেতন নারীরা এখন বিভিন্ন ডিজাইনের সালোয়ার পরছেন।

এসব সালোয়ার-কামিজের কোনটিকে হাতের কাজ, কোনটিতে কাটওয়ার্ক, কোনটিতে এমব্রয়ডারি, আর কোনটিতে রয়েছে পুথি-স্টোনের কারুকাজ। এসব পোশাকের দাম পড়ছে— ওয়ানপিসের ১ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। টু-পিসের দাম পড়ছে সর্বনিম্ন ১২ টাকা থেকে ৭ হাজার টাকার মধ্যে। আর থ্রিপিস পাওয়া যাচ্ছে ১৫০০ টাকা থেকে ২২ হাজার টাকার মধ্যে।

সুতি কাপড়ের মধ্যে কাজ করা, পাকিস্তানি লনের দাম পড়ছে ১৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে। আর জর্জেট থ্রিপিসের দাম পড়ছে ২০০০ টাকা থেকে ৮ হাজার টাকা। বর্তমানে কামিজের সঙ্গে থাকছে ওড়নাসহ প্লাজো, ল্যাগিন্স, প্যান্ট কাট পায়জামা ও চোস্ত পায়জামা। আর এসব পোশাকের চাহিদা মোটাতে এগিয়ে এসেছে দেশীয় বুটিক হাউজসহ বেশকিছু ছোট-বড় ব্র্যান্ড।  

এসব পোশাকের বেশিরভাগ গলা চলছে বোটগলা ও সেরওয়ানি গলা। থ্রিপিসের ওড়নার মঙ্গে শিপনের ওড়নাই চলছে বেশি। কামিজের হাতা শিপনের হয়ে থাকে। বিক্রেতারা বলছেন, ফ্যাশন সচেতন মেয়েরা এখন ঈদে একাধিক পোশাক কিনেন। তারা সময় ও পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাক নির্বাচন করেন। ফ্যাশন হাউসগুলোও ক্রেতাদের এই পছন্দের দিক বিবেচনা করে নানা আঙ্গিক ও ডিজাইনের পোশাক রাখছেন তাদের শোরুমগুলোতে। এরমধ্যে কিশোরী ছাড়া সব নারীর পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ট্রেডিশনাল সালোয়ার কামিজ।