জনগণ জাপাকে বিরোধী দল মনে করে না

জনগণ জাতীয় পার্টিকে (জাপা) বিরোধী দল মনে করে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে এই মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, আমাদের সম্পর্কে জনগণের ধারণা খুব খারাপ। জাপার বর্তমান ভূমিকার কারণেই এবারের উপজেলা নির্বাচনে আমরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কয়েকদিন আগে গঠিত ৫০টি সংসদীয় কমিটির একটিতেও প্রধান বিরোধী দল জাপাকে সভাপতির পদ না দেয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত ‘দুঃখজনক’ ও ‘বেদনাদায়ক’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ঘটনায় জাপার এমপিদের যেমন মাথা হেট হয়ে গেছে, তেমনি দলের কাছেও তাদেরকে নানা কৈফিয়ত দিতে হচ্ছে। এটা এমপিদের সম্মানহানি ঘটিয়েছে। ফিরোজ রশীদ বলেন, আমরা পাঁচ বছর সংসদে থাকতে চাই। সত্যিকারের বিরোধী দলের ভূমিকা রাখতে চাই। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর সহানুভূতি চাই, তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা, তার বিশাল হূদয়। সংখ্যায় কম হলেও আমরা যেন মর্যাদা পেতে পারি, সেজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করি। জাপা প্রধান বিরোধী দল ও একটি বড় রাজনৈতিক দল হওয়া সত্ত্বেও ৫০টি সংসদীয় কমিটির একটি সভাপতির পদও না দেয়া অত্যন্ত দুঃখের। ক্রেস্টের স্বর্ণ দুর্নীতিকারীদের কঠোর শাস্তি দাবি মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখায় বিদেশি বন্ধু ও বিভিন্ন সংগঠনকে দেয়া ক্রেস্টের স্বর্ণ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী। পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে নিশ্চয়ই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত। উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে তদন্তের মাধ্যমে তাদের শাস্তি দিতে হবে। কারণ তারা বিশ্বের কাছে আমাদের ছোট করেছেন, আমাদের মাথা হেট হয়ে গেছে। রুস্তম আলী ফরাজীও তার বক্তব্যে ৫০টি সংসদীয় কমিটির একটি সভাপতির পদও আওয়ামী লীগের বাইরে কাউকে না দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিস্তা চুক্তির আগে ভারতকে বিদ্যুতের করিডোর নয় তিস্তা চুক্তির আগে কোনোভাবেই ভারতকে বিদ্যুতের করিডোর না দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা-১৭ আসনের এমপি, বিএনএফ চেয়ারম্যান এসএম আবুল কালাম আজাদ। পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি বলেন, আমরা ভারতকে করিডোর দেয়ার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু পাঁচ বছরেও আমরা তিস্তার পানির চুক্তি করতে পারিনি। ট্রানজিট, করিডোর, ট্রান্সশিপমেন্ট সবই আমরা কেবল দিয়ে যাচ্ছি। কিছু না পেয়ে একতরফাভাবে একটার পর একটা শুধু দিয়েই যাবো, এটা হতে পারে না। ৭ লাখ ৮০ হাজার নয়, ৭৮ লাখ টাকা নেন খালেদা জিয়া আগেরদিন সোমবার সংসদে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়ি ভাড়া সম্পর্কিত একটি তথ্যের সংশোধনী দিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি বলেন, সোমবারের বক্তব্যে আমি বলেছিলাম-খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাড়িটি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির এমডির কাছে ভাড়া দিয়ে ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা অগ্রীম নিয়েছিলেন। এটা আমার ভুল ছিল। আমার কাছে বাড়িটির ভাড়ার চুক্তিনামা আছে, আসলে সেটি হবে ৭৮ লাখ টাকা।