কলারোয়ায় কিশোরী পাচারের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০১৪, ২২:১১
পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কলারোয়ার এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন টাইব্যুনালের বিচারক মোঃ শাহেনূর জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম আইয়ুব আলী সানা (৩৬)। সে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার আলাইপুর গ্রামের আরিফ সানার ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ মে সকাল ৮টার দিকে তালা উপজেলার সুজনশাহ গ্রামের জামালউদ্দিন শেখের মেয়ে রেহেনা পারভিনকে তার বাড়ির পাশ থেকে অপহরণ করে কলারোয়া উপজেলার আলাইপুর গ্রামের আইয়ুব আলীসহ কয়েকজন। পরে তাকে বিয়ে করে সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুরের একটি বাড়িতে আটকে রাখে আইয়ুব আলী। পরে তাকে ভারতে পাচার করা হয়। এ ঘটনায় পাচার হওয়া কিশোরীর ভাই আইয়ুব আলী শেখ বাদি হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় আইয়ুব আলী সানা ও কলারোয়া উপজেলার রায়টা গ্রামের রহমতুল্লার ছেলে আমিরুল ইসলামকে আসামি শ্রেণীভুক্ত করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক মনোয়ারা খাতুন ২০০৯ সালের ১২ নভেম্বর এজাহারভুক্ত আসামিদের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট ফরিদা আক্তার বানু।
নেত্রকোনায় প্রেমিকা হত্যার অপরাধে প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
নেত্রকোনা প্রতিনিধি \ নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আব্দুল হামিদ প্রেমিকা খাদিজা আক্তারকে (১৯) ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে জেলার আটপাড়া উপজেলার খিলা গ্রামের পলাশ খাঁকে (২২) ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছে নজরুল, কামরুল, সজীব এবং শাহ আলম। গত মঙ্গলবার আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করা হয়। রায় শোনার সাথে সাথে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাশ বিচারককে লক্ষ্য করে বলেন, এই রায়ের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। জানা গেছে, আসামি পলাশের সাথে একই গ্রামের মোঃ ফজলুল করিমের কন্যা এইচএসসি পাস খাদিজার দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। কিন্তু খাদিজা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর জানতে পারে পলাশ অশিক্ষিত এবং বখাটে। তখন খাদিজা পলাশের প্রেম প্রত্যাখ্যাান করে এবং সপরিবারে ঢাকায় চলে যায়। ২০০৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তারা আটপাড়ায় নিজ বাড়িতে আসলে ঐদিনই দুপুরে বাড়ির বাইরে মোবাইলে কথা বলার সময় পলাশ ও তার সঙ্গীরা ধারালো ছুরি দিয়ে খাদিজাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।