নতুন প্রযুক্তি পেলে আমার কৃষক বাবা ফলন অনেক বাড়াতে পারতেন :মজীনা

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেছেন, আমার বাবা একজন কৃষক ছিলেন। তিনি নতুন প্রযুক্তি পেলে ফলন অনেক বাড়াতে পারতেন। এখনকার কৃষকরা এই সুবিধা পাচ্ছেন। এ কারণে আমি খুব খুশি। আমার ভাই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। তিনি মায়েদের স্বাস্থ্য বিষয়ে পরামর্শ দেন। আমার স্ত্রী একজন প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক। কিন্তু কৃষকরা অতি অল্প মূল্যে বেশি উত্পাদন করতে পারেন - তা তারা জানেন না। গতকাল বুধবার বিকেলে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মীরবাগে গ্রামীণ ইন্টেল সোস্যাল বিজনেস লিমিটেডের ‘মৃত্তিকা সফটওয়্যারের মাধ্যমে সারের সঠিক মাত্রা নির্ণয় প্রকল্প’ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণ ইন্টেল সোস্যাল বিজনেস এর চিফ অপারেটিং অফিসার পাভেল হক রাষ্ট্রদূতকে জানান, কৃষকরা বুঝতে পারছেন - আমাদের এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সারের খরচ অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব। আর ফলনও পাওয়া যায় বেশি। এর আগে তিনি গাইবান্ধার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের উত্তর ধোপাডাঙ্গায় যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে পরিচালিত ‘জীবিতা বাংলাদেশ’ নামে একটি এনজিওর মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মা ও শিশু স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সমভাবে এ উন্নয়নের প্রভাব পড়বে। এর ধারাবাহিকতায় খুব শিগগিরই এদেশ মধ্যম আয়ের স্তরে উন্নীত হবে। তার সফর সঙ্গী ছিলেন ইউএসএআইডি’র মিশন ডিরেক্টর ইয়ানী জেরুজালেস্কি ও ডব্লিউএফপি’র কর্মকর্তাবৃন্দ।