দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও একটিতে বিএনপি জয়ী

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপের স্থগিত হওয়া ৩১ কেন্দ্রে গতকাল বুধবার পুন:ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। পরে ভোট গণনা শেষে ঘোষিত বেসরকারি ফলে তিনটি উপজেলা পরিষদের মধ্যে দুটিতে আওয়ামী লীগ ও একটিতে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত রেফায়েতউল্লাহ খান তোতা ও পটুয়াখালীর দুমকিতে শাহজাহান শিকদার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। এছাড়া কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী। স্থগিত এসব কেন্দ্রে গতকাল কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হুমায়ুন কবির হায়দার, লক্ষ্মীপুর সদরে হাফিজউল্লা, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় শাহ আলম রোকন, পটুয়াখালীর দুমকিতে নাসিমা বেগম ও হুমায়ুন কবির ও সিলেটের কানাইঘাটে জাহাঙ্গীর আলম রানা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন। এছাড়া নরসিংদী সদরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কবির আহমেদ ও কুমিল্লার বরুড়ায় জাতীয় পার্টির (জাপা) কামাল হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে ৩৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে ইসি। এর মধ্যে পাঁচ উপজেলায় ১৯ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ওইসব কেন্দ্রের ভোটসংখ্যা চার উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধানের চেয়ে বেশি হওয়ায় আবার ভোট গ্রহণ করা হলো। এদিকে কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী কামাল হোসেন। তবে কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা শেষে ব্যালট বাক্স নিয়ে উপজেলা সদরে ফেরার পথে বিএনপি সমর্থিত পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা নির্বাচন কর্মকর্তাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশের অর্ধশতাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পূর্ব নলুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।