জোকস

 বাড়ির সামনে কয়েকটি ছেলেকে ঘোরাফেরা করতে দেখে বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন রহমান সাহেব। তখন ছেলেগুলোর একজন তার দিকে তাকিয়ে সালাম দিয়ে বলল, ‘আসসালামু আলাইকুম আঙ্কেল। আপনি কি ঘুমিয়েছিলেন?’ রহমান সাহেব :না তো? কিন্তু কেন? ছেলে :না মানে, একটু আগে আপনি কি আপনার বাড়িতে কোনো কিছু ভাঙ্গার শব্দ শুনেছেন, যেমন কাচ ভাঙ্গা বা ফুলের টব ভাঙ্গা। রহমান সাহেব :না তো, আমি তো বাড়ির সবকিছু দিব্যি ঠিকঠাক আছে বলেই দেখছি। কিন্তু তুমি এসব জানতে চাইছো কেন? ছেলে :না মানে, খেলতে খেলতে আমাদের বলটা আপনার বাড়িতে এসে পড়েছে তো, তাই এখন ওটা নিতে এসেছি!  মা :যাও বাবলু, উপরে গিয়ে চটপট ভালো একটা পোশাক পরে নাও। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসায় তোমার বাবার বন্ধুরা আসতে শুরু করবেন। আজ ওদের সবার এই বাসায় ডিনারের দাওয়াত। বাবলু :আশ্চর্য বিষয়, উনারা তো ডিনার খেতে আসছেন, আমাকে না!  শিক্ষক :পিঁপড়া আমাদের কি উপকার করে বলোতো? ছাত্র :মা কোথায় মিষ্টি লুকিয়ে রেখে তা জানিয়ে দেয় স্যার।  শিক্ষক :তোমাদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে গত ক্লাসে আমি তোমাদের উপকারি ব্যাকটেরিয়া আর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ পড়িয়েছিলাম। আচ্ছা বাবলু, তুমি এ ধরনের দু’একটা উদাহরণ আমাদের বলোতো। বাবলু (অনেকক্ষণ ভাবার পর আমতা আমতা করে) :ইয়ে মানে...ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে জ্বর হলে আমরা যদি বৃষ্টিতে ভিজতে না পারি বা বাইরে খেলতে যেতে না পারি তাহলে সেটা হলো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার কারণে জ্বর হওয়ার পর মা যদি স্কুলে যেতে বারণ করে কিংবা যদি পরীক্ষা দিতে না হয় তাহলে সেটা হলো উপকারী ব্যাকটেরিয়া!