নীলক্ষেতে ঢাবি ছাত্র-দোকানি সংঘর্ষ, আহত ১৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে রাজধানীর নীলক্ষেতের দোকানিদের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। অগ্নিসংযোগে পুড়েছে দুইটি দোকান ও একটি গাড়ি। ভাঙচুর করা হয়েছে সাতটি বইয়ের দোকান। গতকাল শনিবার বিকাল পৌনে ৬টার দিকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আধা ঘন্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষের কারণে নীলক্ষেত-নিউমার্কেট এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। আতঙ্কে ঐ এলাকা ত্যাগ করেন পথচারীরা। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল বিকালে নীলক্ষেতে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের এক ছাত্রের বইয়ের দাম নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ঐ ব্যবসায়ী ছাত্রকে ধাক্কা দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ঐ ছাত্র হলে ফিরে ২০/৩০ জন ছাত্র নিয়ে নীলক্ষেতের দিকে যেতে থাকে। তাদের দেখে বই ব্যবসায়ীরা ধাওয়া দিলে ছাত্ররা হলে ফিরে যায়। এরপর বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে আবার ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীসহ শতাধিক শিক্ষার্থী হল থেকে লাঠিসোঁটা, রড ও হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নীলক্ষেতে যায়। সেখানে দু’পক্ষে সংষর্ষ হয়। সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ১৩ জন। আহতদের মধ্যে আটজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. আমজাদ আলী বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডিএমপির ধানমন্ডি-নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম বলেন, বই কেনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও দোকানিদের মধ্যে সংঘর্ষে ১৪/১৫জন আহত হয়েছে।