বিভিন্ন স্থানে চারজন খুন
প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৪৪
দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক ঘটনায় গত দুইদিনে চারজন খুন হওয়ার খবর পাঠিয়েছেন ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা।
চট্টগ্রামে নারী শ্রমিক খুন
চট্টগ্রাম নগরীর মিয়াখান নগর এলাকায় গত শনিবার সকালে বাসা থেকে ইতি (২৫) নামে এক পোশাক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ ইতির স্বামী রবি আলমকে আটক করেছে। বাকলিয়া থানা পুলিশ জানান, ইতির স্বামী মাদকাসক্ত। প্রায় সময় মদ খেয়ে এসে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ করতেন। শুক্রবার রাতেও ইতিকে মারধর করে। ইতিকে রাতে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
রানীনগরে শ্বাসরোধে হত্যা
নওগাঁর রানীনগরের চাপরা গ্রাম থেকে গত শনিবার মোহন (১৮) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ আজিজুল হক (৪৫) ও তার পুত্র মাজেদুল ইসলাম (২০) নামে দুইজনকে আটক করেছে। লুত্ফর রহমান লেবুর ছেলে মোহন রাতের খাবার শেষে জমিতে পানি সেচ দেয়ার জন্য শ্যালো মেশিন ঘরে যায়। পরে সকালে পুকুর পাড়ের একটি বরই গাছে মহনের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। কয়েক দিন আগে আজিজুল পুকুরে চুরি করে মাছ ধরার সময় মোহন দেখতে পায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ হয়। এর জের ধরে গত শুক্রবার রাতে আজিজুল তার স্ত্রী, পুত্র মোহনকে শ্বাসরোধে হত্যা করে গলায় রশি দিয়ে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।
রানীনগর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মাসউদ চৌধুরী জানান, লাশের মাথায়, গলায় ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় নিহতের পিতা লুত্ফর রহমান লেবু বাদি হয়ে ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
পাকুন্দিয়ায় হামলায় একজন নিহত
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে আহত ফজলুল হক (৬০) নামে এক ব্যক্তি গত শনিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান।
জানা যায়, একই গ্রামের বাসিন্দা ছায়াম উদ্দিনগংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নিহত ফজলুল হকদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গত শুক্রবার সকালে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ফজলুল হক গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে উজ্জল মিয়া বাদি হয়ে ছায়াম উদ্দিন, সুমন মিয়া, সুরুজ মিয়া, দুলাল, ইদ্রিস ৫ জনকে আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি মামলা করেন।
পাকুন্দিয়া থানার ওসি জাকির রাব্বানী বলেন, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।