অ ন্য র ক ম
ক্ষুদে লেখিকা সারিনা
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০১৪, ২০:০৬
সারিনা হোসেন। বয়স ১০ বছর। লেখালেখি করে একদম ছোট্টবেলা থেকে। পাঁচ বছর বয়সে যখন লিখে ফেলল, ‘দ্য গার্ল হু ওয়ান্টেড টু গো সি জি এস স্কুল’, দেখে তো তার মা-বাবার আক্কেলগুড়ুম! বাবা সাইফুল হোসেন জানান, ‘ও এমন সব শব্দ লেখে, মাঝে-মধ্যে আমিও বুঝি না। স্কুলের শিক্ষকরাও দেখে অবাক!’ গুলশানের চিটাগং গ্রামার স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে সে। নিজের ডায়রিতে হিজিবিজি সব লেখা, সঙ্গে কী সব আঁকিবুকি করে। একটা লেজছাড়া বিড়াল, গোল গোল চোখের ভাড়, ভয়ঙ্কর ডাইনিসহ আজব সব ছবি তার ডায়রিতে। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্রী, তাই বাংলায় খুব ভালো লিখতে পারে না।
সারিনা যখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে, তখনই ঘটেছিল মজার ঘটনা। ‘ক্যাসেল অব ডুম’ নামে একটা গল্প লিখেছিল সে। সারিনার বাবা গল্পটা ই-মেইল করেছিলেন লন্ডনের অলিম্পিয়া পাবলিশার্সের কাছে। গল্প পড়ে প্রথমে তাদের বিশ্বাসই হয়নি, একটা ছোট মেয়ে এমন গল্প লিখতে পারে। প্রায় দুই বছর ধরে চলেছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। অলিম্পিয়ার সম্পাদক দল দফায় দফায় যোগাযোগ করেছে সারিনার সঙ্গে। চুক্তিপত্রে সই করে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছর বাংলাদেশের ছোট্ট মেয়েটার বই বেরিয়েছে লন্ডনের প্রকাশনা সংস্থা থেকে। শুধু তাই নয়, সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই ক্যাসেল অব ডুম-এর সিক্যুয়েল বের হবে একই প্রকাশনা সংস্থা থেকে। সারিনার ইচ্ছা, ক্যাসেল অব ডুম-এর ১০টি সিক্যুয়েল লিখবে। ভুতুড়ে দুর্গের গল্পে এরপর আর কী কী ঘটতে পারে, তা-ও সে ইতিমধ্যেই ভেবে রেখেছে!