বাগেরহাট জেলে ৩৫ বন্দী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত

বাগেরহাট জেলা কারাগারে মঙ্গলবার সকালে অন্তত ৩৫ বন্দী বমি ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দুপুরে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এদের মধ্যে ২০ জনকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের কারাগারের অভ্যন্তরে চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে। বাগেরহাট সদর হাসপাতালের একজন চিকিত্সকের নেতৃত্বে একটি চিকিত্সা দল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অসুস্থদের চিকিত্সা দিতে বাগেরহাট কারাগারের গেছেন। যশোর থেকে বাগেরহাট কারাগার পরিদর্শনে আসেন কারা-পুলিশের খুলনা বিভাগীয় উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) এ কে এম ফজলুল হক। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত বাগেরহাট কারাগার থেকে কারা কর্তৃপক্ষ নিজস্ব গাড়িতে পর্যায়ক্রমে ১৪ হাজতি ও ৬ কয়েদিকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এছাড়া কারাগারের অভ্যন্তরে আরও ১৫ বন্দীকে চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিত্সকরা প্রাথমিকভাবে অসুস্থতার ঘটনাটিকে খাদ্যের বদহজম জনিত ‘ম্যাস ডায়েরিয়া’ বলে ধারণা করছেন। তবে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন যে, অতিরিক্ত গরম ও সুপেয় পানি সরবরাহ না থাকায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. বাকির হোসেন বলেন, ‘বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বন্দীদের সুচিকিত্সা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া কারাগারে থাকা অপর অসুস্থদের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ চিকিত্সা কর্মকর্তা ডা. মোশারেফ হোসেনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি চিকিত্সা দল সেখানে পাঠানো হয়েছে।’ বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. শুকুর আলী জানান, ‘বাগেরহাট কারাগারে সুপেয় পানির সংকট রয়েছে। সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।’