ভূঞাপুরে অতিরিক্ত লোডশেডিং

ভয়ে অফিস করছেন না নির্বাহী প্রকৌশলী

ঘন ঘন লোড শেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে বিদ্যুত্ অফিস ঘেরাও, ভাঙচুর করেও বিদ্যুত্ পাচ্ছে না ভূঞাপুর উপজেলার ১০ গ্রামের কৃষক। বিদ্যুতের প্রকৌশলীরা তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে অসহায় কৃষকদের বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন। প্রতিনিয়ত ভাঙচুরের ভয়ে বিদ্যুত্ অফিসে পুলিশী পাহারা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। ভয়াবহ লোড শেডিংয়ের কারণে কৃষক, খামারী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। চলতি এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদ্যুতের অভাবে রাতের বেলায় মোমবাতি জ্বালিয়ে পড়ালেখা করতে হচ্ছে। পোল্ট্রি খামারীরা পড়েছে বিপদে। একদিকে যেমন ডিমের দাম হ্রাস পেয়েছে অন্যদিকে বিদ্যুত্ না থাকায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মুরগি মারা যাচ্ছে। কৃষকরা বিদ্যুতের অভাবে ধানের জমিতে সেচ দিতে পারছে না। ভাঙচুরের ভয়ে কর্তৃপক্ষ বিদ্যুত্ অফিসে পুলিশ মোতায়েন করেছে। রবিবার আবারও লোকজন বিদ্যুত্ অফিস ঘেরাও, ভাঙচুর করতে গেলে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিনুর ইসলাম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারেচ আলী মিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত জনতাকে বিদ্যুত্ দেয়ার আশ্বস্ত করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বিদ্যুত্ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান সপ্তাহ ধরে অফিস করছেন না।