২৫ এপ্রিল হতে বস্তি শুমারি ও ভাসমান লোক গণনা

আগামী ২৫ এপ্রিল হতে ২ মে দেশের সকল শহরাঞ্চলে তৃতীয়বারের মতো বস্তি শুমারি ও ভাসমান লোক গণনা কাজ শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিবিএস ভবনে বস্তি শুমারি ও ভাসমান লোক গণনা শীর্ষক এক কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিবিএস-এর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব আমিনুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বস্তি শুমারি করবে। এর মাধ্যমে দেশের বস্তির সংখ্যা, বস্তিতে অবস্থিত খানার সংখ্যা এবং বয়স ও লিঙ্গভেদে বস্তির জনসংখ্যা নিরূপণ করা যাবে। এছাড়া দেশের বস্তিবাসীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিরূপণ করাও সম্ভব হবে। এ শুমারির মাধ্যমে কোন জেলা হতে কত লোক বস্তিতে এসেছে, তাদের ভূমিহীনতা, শিক্ষা, পেশা এবং পরিবেশগত তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বাংলাদেশে বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য ভাণ্ডার প্রয়োজন। কারণ আমরা উন্নত বিশ্বের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছি। প্রতি ১০ বছর অন্তর আদম শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এতে করে জনসমষ্টির সার্বিক তথ্য পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে প্রকল্পের নমুনা এলাকার সংখ্যা পূর্ববর্তী এক হাজার থেকে দেড় হাজারে উন্নীত করা হয়েছে। উল্লেখ, বিবিএস ১৯৮৫-৮৬ সালে প্রথমবারের মতো দেশের চারটি বৃহত্ শহর— ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীতে বস্তি শুমারি সম্পন্ন করে। ১৯৯৭ সালে দ্বিতীয়বার দেশের সকল শহর এলাকায় পূর্ণাঙ্গ বস্তি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০০৬ সালে বস্তিবাসীদের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর এক জরিপ অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে ২ মে দেশের সকল শহরাঞ্চলে তৃতীয় বস্তি শুমারি শুরু হচ্ছে ।