জাতীয় সার ডিলার সম্মেলন
সারে ভর্তুকি অব্যাহত থাকবে :শিল্পমন্ত্রী
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০১৪, ২০:৩৭
খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে কৃষিখাতে ভর্তুকির বিষয়টিকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি এবং এমওপি সারে যথাক্রমে কমপক্ষে ২৪, ১৮, ১৮ ও ২৫ টাকা ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে ভর্তুকির এ ইতিবাচক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)-এর ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় সার ডিলার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে গতকাল এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বিএফএ-এর চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান পোটন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের পরিচালক ও সংসদ সদস্য মো. শওকত চৌধুরী। এতে শিল্পসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্ এবং এফবিসিসিআইর সহ-সভাপতি মো. হেলালউদ্দিন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সার ডিলার ও ব্যবসায়ীরা বলেন, হরতাল, অবরোধসহ অস্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও সার ডিলাররা চাষি পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ করে দেশে ফসলের বাম্পার ফলনে সহায়তা করেছে। তারা ভবিষ্যতে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ ও বিপণনের লক্ষ্যে ৯ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে বিএডিসির আমদানিকৃত সার শুধুমাত্র বিসিআইসির ডিলারদের মাধ্যমে বিতরণ, প্রতিমাসের শুরুতেই সকল প্রকার সারের বরাদ্দ প্রদান, সার ব্যবহারের ভরা মৌসুমে দুই কিস্তিতে টাকা জমা ও সার উত্তোলনের নির্দেশ বহাল রাখা, ইউনিয়নের অংশবিশেষের নামে নতুন ডিলার নিয়োগ বন্ধকরণ, যৌক্তিকতার ভিত্তিতে ডিলারদের আয়কর নির্ধারণ, ডিলার ছাড়া অন্য কাউকে সার বিক্রির অনুমতি না দেয়া এবং ইউরিয়া সারের ভর্তুকির অর্থ দ্রুত ছাড়করণ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। শিল্পমন্ত্রী ডিলারদের যৌক্তিক দাবিগুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলোচনা করে সমাধানের আশ্বাস দেন।