বেশিরভাগ কারখানার ভবন ত্রুটিমুক্ত :বিজিএমইএ
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০১৪, ২২:২৯
বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শনের প্রাপ্ত ফলাফল ও এর মূল্যায়ন বিশ্ববাসীর কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ইউরোপ ও আমেরিকার দুটি আলাদা পরিদর্শক দল ইতিমধ্যে প্রায় ৭শ’ কারখানা পরিদর্শন করেছে। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় বন্ধ হয়েছে ১৩টি কারখানা। অর্থাত্ বেশিরভাগ কারখানার অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তা ব্যবস্থা যে ত্রুটিমুক্ত এটি পরিদর্শনের প্রাথমিক ধাপে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই তথ্যটি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে হবে। গতকাল রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। রানা প্লাজা পরবর্তী বিগত এক বছরে গার্মেন্টস খাতে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরতে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
গত বছরের ২৪ এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ১ হাজার ১৩৫ জন শ্রমিক নিহত হন। এ ঘটনার পর বাংলাদেশের শ্রমিকদের প্রতি মালিক পক্ষের চরম উদাসীনতা ও কমপ্লায়েন্সের (কারখানায় কর্মপরিবেশ) অভাব বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রচারণা পায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স নামে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের আলাদা দুটি জোট কারখানার অগ্নি ও ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করছে।
ত্রুটিমুক্ত হওয়া সত্ত্বেও শেয়ারড ভবনের (গার্মেন্টস কারখানার পাশাপাশি অন্য কার্যক্রম চলে এমন ভবন) কারখানা থেকে অর্ডার সরিয়ে নেয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজিএমইএ সভাপতি। তিনি বলেন, বায়াররা শেয়ারড ভবন থেকে কাজ সরিয়ে নিচ্ছেন, যা অমানবিক। বর্তমানে ৩০ শতাংশ কারখানাই শেয়ারড ভবনে অবস্থিত এবং এসব ভবনে প্রায় ১৫ লাখ শ্রমিক কাজ করে। বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিতে দেখতে ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে আগামী ২৪ জানুয়ারি রানা প্লাজা দুর্ঘটনার দিন নানামুখী কর্মসূচি পালন করবে বিজিএমইএ। সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রম সচিব মিকাইল শিপার, বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বর্তমান সহসভাপতি এস এম মান্নান কচি, শহীদুল্লাহ আজিম, রিয়াজ বিন মাহমুদ, বিকেএমইএ’র সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রমুখ।