শিশুখাদ্যের কাঁচামালের শুল্ক-কর প্রত্যাহারের দাবি

বাজেট ২০১৪-১৫ শিশুখাদ্যের কাঁচামালের উপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। গতকাল সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রাক বাজেট আলোচনায় উপস্থিত হয়ে সয়াবিন ও সয়াখাদ্য উত্পাদকদের সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম এ দাবি জানান। প্রসঙ্গত, দেশে শিশুখাদ্য তৈরির জন্য আইসোলেটেড সয়াপ্রোটিন ও রাইস প্রোটিন, শিশুখাদ্য কাজুবাদাম ও সূর্যমুখী তেল আমদানি করা হয়। বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে শিশুখাদ্যের কাঁচামাল আইসোলেটেড সয়াপ্রোটিন ও রাইস প্রোটিন আমদানিতে কোনো শুল্ক বলবত্ নেই। এটি আগামীতেও অব্যাহত রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে শিশুখাদ্যের জন্য কাজুবাদাম আমদানিতে বর্তমানে শুল্ক সাড়ে ১০ শতাংশ, ভ্যাট ১৫ শতাংশ, অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ৫ শতাংশ ও অগ্রিম ভ্যাট (এটিভি) ৫ শতাংশ নির্ধারিত আছে। এটি প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেয়া হয়। এছাড়া সূর্যমুখী তেল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক-কর প্রত্যাহারের প্রস্তুাব দেয়া হয়। আসছে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের বাজেটকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে বাজেট নিয়ে পরামর্শমূলক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এনবিআর। এরই অংশ হিসেবে গতকাল ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহত্ শিল্পের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনায় মিলিত হয় এনবিআর। এনবিআর সদস্য ফরিদ উদ্দিন এতে সভাপতিত্ব করেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে ফার্নিচার শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি (বিএফআইওআর)। সেই সঙ্গে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পোশাক শিল্পের মতো রপ্তানি করা পণ্যের ওপর নগদ সহায়তারও দাবি জানানো হয়। এছাড়া স্যান্ড পেপারের ওপর ধার্য করা ৭৪ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করা, স্ক্রু, বোল্ট, ফার্নিচারের তালা ও কব্জার ওপর থেকে বিদ্যমান শুল্ক কমিয়ে ১২ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়।