আদভানি ও যোশির বাড়িতে গিয়ে মোদি
বিরাট জয়ের পরে গতকাল সকালে নিজের প্রথম গন্তব্য হিসেবে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি ও মুরলিমনোহর যোশির বাসভবনকেই বেছে নিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দুই নেতার সঙ্গে সাতসকালেই বৈঠক করে নিজের কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। মোদি বলেন, ‘গুরুজনদের সঙ্গে সাক্ষাত্ আর তাদের আশীর্বাদ নেওয়াটাই ভারতীয় জনতা পার্টির ঐতিহ্য।’ খবর আনন্দবাজার পত্রিকার
যেভাবে এই নির্বাচনের ময়দান থেকে আদভানি ও মুরলিমনোহরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন দলের এই দুই অন্যতম বর্ষীয়ান নেতাই। গুজরাটের গান্ধীনগর কেন্দ্রের ছয়বারের সাংসদ লালকৃষ্ণ আদভানির জায়গায় প্রার্থী হয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। কিন্তু যে পথে এগোচ্ছে তার প্রতিষ্ঠা করা ভারতীয় জনতা পার্টি, তা নিয়ে যে খুশি ছিলেন না আদভানি, তা নিজের ব্লগে লিখে জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে কানপুর থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া নিয়েও নিজের ক্ষোভ প্রকাশ্যে এনেছিলেন মুরলিমনোহর।
নির্বাচনে বিরাট জয়ের পরে গতকাল সকালেই অবশ্য নয়াদিল্লিতে বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আদভানির বাড়িতে হাজির হন মোদি এবং অমিত। সেখানে আদভানির আশীর্বাদ নেন তারা। পরে নিজেই সেই ছবি টুইট করে বলেন, ‘আদভানির সঙ্গে কথা বলেছি আমি। বিজেপির আজকের সাফল্য সম্ভব হয়েছে তার মতো মহান ব্যক্তিদের অবদানের জন্যই। দশকের পর দশক ধরে পরিশ্রম করে তারা এই দল তৈরি করেছেন।’ এর পরই মোদি যান আরেক বর্ষীয়ান নেতা মুরলিমনোহরের বাড়িতে। সেই সাক্ষাতের কথা জানিয়ে টুইট করে তিনি বলেন, ‘মুরলিমনোহর যোশি অত্যন্ত উঁচু মানের জ্ঞানী এবং বিদ্বজ্জন। ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতিতে তাঁর অবদান স্মরণীয়। বিজেপিকে শক্তিশালী করতে উনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। অনেক সংগঠককেও উনি নিজে হাতে তৈরি করেছেন, যার মধ্যে আমিও রয়েছি।’