স্পোর্টস রিপোর্টার
কন্ডিশনিং ক্যাম্প করতে গতকাল থাইল্যান্ড গেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। সেখানে ১০ দিনের ক্যাম্প করে বিশ্বকাপের প্রাক-বাছাই ম্যাচ খেলতে লাওস যাবে ফুটবলাররা।
বাংলাদেশ দল ৬ জুন লাওসের মুখোমুখি হবে। লাওসকে তাদের মাঠে হারাতে পারলে সেটা হবে অনেক বড় অর্জন। কারণ ফিরতি লড়াই ঢাকায় ১১ জুন। জাতীয় দলের ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে প্রথম ম্যাচটাকেই পরের রাউন্ডে ওঠার পথের কাঁটা হিসেবে দেখছেন। ঢাকা ছাড়ার আগে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘সবাই জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চায়। আমিও চাই জয় পেতে। তবে ওদের মাঠে লড়াইটা যে ওদের জন্য সুবিধাজনক সেটাও মাথায় রাখতে হবে।’ তাই জেমি চান অন্তত ড্র করেও যদি ফেরা যায় তাহলেও সেটা অনেক বড় প্রাপ্তি হবে। কোচের কথা হচ্ছে, ‘কিক-অফ হতে জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে হার নিয়ে ঘরে ফেরার চেয়ে ড্র করে ফেরাটা অনেক ভালো। আমরা থাইল্যান্ড হতে তিনদিন আগে লাওস যাবো। সেখানে মানিয়ে নিতেই আমরা আগে যাচ্ছি।’
জেমি ডে গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফিরে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেন। এই দলটাই লাওসের বিপক্ষে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ের ম্যাচ দুটি খেলবে। কোনো পরিবর্তন হবে না। যদি না কোনো ইনজুরির ঘটনা ঘটে। ৪৮ ফুটবলারের নাম এএফসিতে জমা দেয়া রয়েছে।
কোচ জেমি মাঝে অনেকদিন দেশে ছিলেন। ওই সময় খেলোয়াড়রা সবাই লিগের খেলায় ব্যস্ত ছিল। লিগের আগে এএফসি কাপে খেলে এসেছে। কাতারে অনুশীলন করেছে। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। ওই সফরটা দারুণ কেটেছে।
কোচ ঢাকায় ফিরলেও প্রিমিয়ার লিগের খেলা চলার কারণে জাতীয় দলের ফুটবলারদের ক্যাম্প হয়নি। এখন জাতীয় দল থাইল্যান্ড গিয়ে একসঙ্গে অনুশীলন করবে। আর সেখানেই পরিকল্পনামাফিক দলটাকে গুছিয়ে নেয়ার কাজ চলবে। জেমি ডে পুরো ১০টা দিন কাজে লাগাবেন। কারণ দল হতে কিছু ফুটবলার বাদ পড়েছেন। ইনজুরির কারণে রক্ষণভাগ খুব একটা গোছানো নয়। নাসিরউদ্দিন চৌধুরীকে নেয়া হয়েছে সেখানে। ফরোয়ার্ডে বিপলু আহমেদ, মতিন মিয়া, জীবন।
তারপরও নতুন মুখ রিয়াদুল হাসান রাফি এবং আরিফুর রহমানকে নেয়া হয়েছে। তারাও নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে জাতীয় দলে ঢুকেছেন। বিশেষ করে আরিফুর রহমানের জন্য চ্যালেঞ্জটা আরো বেশি কারণ মাংশপেশীতে টানের কারণে মাস দেড়েক মাঠের বাইরে ছিল।