টিকিট প্রত্যাশীদের বেশি ভিড় কমলাপুরে

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির তৃতীয় দিন গতকাল শুক্রবার উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে। ছিল না তিল ধারণের ঠাঁই। সকাল থেকেই প্রতিটি কাউন্টারের সামনে ছিল দীর্ঘ লাইন। যানজট এড়াতে ট্রেনকে বেছে নেওয়ায় টিকিট প্রত্যাশীদের এমন ভিড় হয়েছে। টিকিট কিনতে আসা একাংশের অভিযোগ- বাংলাদেশ রেলওয়ের চালু করা অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট কেনা যাচ্ছে না। তাই তাদেরকে টিকিট কিনতে ভোরে এসে লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। কিন্তু লাইনে দাঁড়িয়েও ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা। এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দীর্ঘক্ষণ। লাইন এগোচ্ছে না ঠিকঠাক।

ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের আগাম টিকিটি বিক্রি শুরু হয় ২২ মে। গতকাল শুক্রবার  দেওয়া হচ্ছে ২ জুনের আগাম টিকিট। আজ শনিবার দেওয়া হবে ৩ জুনের এবং কাল রবিবার দেওয়া হবে ৪ জুনের টিকিট। এছাড়া ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৯ মে যা চলবে ২ জুন পর্যন্ত। কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক বলেন, ‘প্রতিটি লাইনে মানুষ সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করছেন। এছাড়া ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রিতে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ রেলওয়ের নিজস্ব বাহিনী তত্পর রয়েছে।’ যাত্রীর সুবিধার্থে এবার পাঁচটি স্থান থেকে রেলের আগাম টিকিট দেওয়া হচ্ছে। যমুনা সেতু দিয়ে সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে কমলাপুরে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে বিমানবন্দর স্টেশনে।

ময়মনসিংহ ও জামালপুরগামী ট্রেনের টিকিট তেজগাঁও স্টেশন, নেত্রকোনাগামী মোহনগঞ্জ ও হাওর এক্সপ্রেসের টিকিট বনানী স্টেশন থেকে দেওয়া হচ্ছে। সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট ফুলবাড়িয়া (পুরান রেলভবন) থেকে পাওয়া যাচ্ছে। একজন যাত্রী চারটি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে।