বটিয়াঘাটায় কৃষকদের বাঁচার অবলম্বন হয়ে উঠছে সূর্যমুখী
আব্দুল হামিদ, বটিয়াঘাটা (খুলনা)
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০১৪, ২০:৫৯
উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে বিপুল পরিমাণ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে শত শত কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। রীতিমতো ‘সূর্যমুখী বিপ্লব’ ঘটেছে যেন দিগন্তজুড়ে। আইলা-সিডরের মত ভয়াবহ দুর্যোগের ছোবলে লণ্ডভণ্ড উপকূল অঞ্চলে সূর্যমুখী কৃষকের মাঝে জাগিয়ে তুলেছে বাঁচার নতুন আশা। তারা এখন বছরে দু’টি ফসল ঘরে তোলার আনন্দে বিভোর। আমন ধান ঘরে ওঠার পর জলমা ইউনিয়নে শতাধিক কৃষক ৪টি ব্লকে ৭৫ একর, গঙ্গারামপুর ১৩৪ জন ৩টি ব্লকে ৭৬ একর ও সুরখালীতে ৮২ জন কৃষক ২টি ব্লকে ৫৪ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছেন। তাছাড়া বটিয়াঘাটা ও আমীরপুর ইউনিয়নেও সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
চাষি আশালতা মন্ডল, রবিতা বিশ্বাস, কল্পনা সরদার, যাদব বিশ্বাস, রঞ্জন সরদারসহ অনেকেই বলেন, আগে আমন ধান ঘরে ওঠার পর প্রায় সবার জমিতে তিল চাষ করা হত। কিন্তু অসময়ে ঝড়বৃষ্টির কারণে টানা কয়েক বছর ধরে তিল গাছ মারা যাচ্ছে। ফলে তারা বছরে দুই ফসলের আসা এক প্রকার ছেড়ে দেন। কিন্তু ব্র্যাকের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সূর্যমুখী চাষের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তারা নতুন উদ্যমে মাঠে নামেন। প্রতি একরে বীজ চাষ করতে খরচ হয় প্রায় ২০ হাজার টাকা এবং ফলন হয় ৪০/৪৫ মণ। কেজিপ্রতি বিক্রি করা যায় ২ হাজার টাকা পর্যন্ত।