ভি ন দে শে প ড়া শো না .........................................
অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৩৯
অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাচেলর কোর্স, ব্যাচেলর সার্টিফিকেট কোর্স, ব্যাচেলর ডিপ্লোমা কোর্স, স্নাতকোত্তর কোর্স, স্নাতকোত্তর রিসার্চ কোর্সসহ ডক্টরাল পর্যায়ের বিভিন্ন কোর্সে পড়াশোনা ও গবেষণা করার সুযোগ রয়েছে। ব্যাচেলর কোর্সের মেয়াদ ৩ বছর, সার্টিফিকেট কোর্সের মেয়াদ ৬ মাস, ডিপ্লোমা কোর্সের মেয়াদ ১ বছর, স্নাতকোত্তর রিসার্চ কোর্সের মেয়াদ ২ বছর এবং ডক্টরাল কোর্সগুলোর মেয়াদ ৩ বছর। শিক্ষাবর্ষ জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত।
পড়াশোনার ভাষা: অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি। এ দেশে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট শিক্ষায় আগ্রহীদের অবশ্যই ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে এবং আইইএলটিএস-এ ৫.৫ অথবা টোয়েফল-এ ৫৫০ এবং ২১৩ কম্পিউটার বেজড্ স্কোর থাকতে হবে। না হলে ভর্তির আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, এমবিএ বা রিসার্চ প্রোগ্রামে আইইএলটিএস স্কোর ন্যূনতম ৬ বা টোয়েফল স্কোর ৬০০ থাকতে হবে।
থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ: অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যাপারে সহায়তা দিয়ে থাকে। আপনি ইচ্ছা করলে ক্যাম্পাসের ভেতরে কিংবা বাইরে থাকতে পারেন। এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাস রয়েছে। আবাসন ও ব্যক্তিগত খরচ বাবদ বছরে প্রায় ৬ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। অস্ট্রেলিয়াতে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারে। এছাড়া ছুটির সময় ফুলটাইম কাজ করারও সুবিধা আছে। এখানে একজন শিক্ষার্থী কাজ করে উপার্জিত অর্থে তার পড়াশোনার খরচ বহন করতে পারে।
আবেদন: ভর্তির জন্য সরাসরি প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস সেন্টারে ভর্তি তথ্য ও ফরম চেয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র চিঠি, ফ্যাক্স কিংবা ই-মেইলেও পাঠানো যেতে পারে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন ফরম এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যাবতীয় শর্তাদি পাঠিয়ে দেয়া হবে। ফরমটি পূরণ করে যাবতীয় কাগজপত্রসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ আবেদন ফিও পাঠাতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আপনাকে ভর্তি করে নিলে তার প্রমাণস্বরূপ আপনার ঠিকানায় অফার লেটার পাঠাবে এবং অস্ট্রেলিয়ান সরকারের কাছে আপনাকে ভিসা দেয়ার জন্য সুপারিশ করবে।
ভিসা প্রসেসিং: অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার, শিক্ষাগত কাগজপত্র, আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে। তবে অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পাওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো, অভিভাবককে আর্থিকভাবে যথেষ্ট সচ্ছল হতে হবে।
অর্থাত্ যে আপনার স্পন্সর তার সম্পর্কে যাবতীয় খুঁটিনাটি, আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ, ঘনিষ্ঠতা ইত্যাদি বিষয় নিশ্চিত হয়ে তবেই ভিসা দেয়া হবে। এজন্য যে কাগজপত্র প্রয়োজন সেগুলো হচ্ছে মূল পাসপোর্ট, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, অফার লেটার, আবাসন ও খরচ ব্যবস্থার নিশ্চয়তাপত্র, পুলিশ ছাড়পত্র, বার্থ সার্টিফিকেট, সকল শিক্ষাগত সনদপত্র, বর্তমান শিক্ষা ও জবের এক্সপ্লানেশন লেটার, আইইএলটিএস, টোয়েফল সংক্রান্ত সনদপত্র, স্পন্সরশিপের কাগজ, স্পন্সর ও আবেদনকারীর সম্পর্কের প্রমাণপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং স্পন্সরের আর্থিক সামর্থ্যের পক্ষে তার যাবতীয় সম্পদের ডকুমেন্টস।