মেহেরপুরে ব্যবসায়ীসহ ৪ জনের সন্ধান নেই
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:৪৩
মেহেরপুরে ব্যবসায়ী, প্রতিবন্ধী ও শিশুসহ ৪ জন নিখোঁজ থাকলেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। কেউ তাদের অপহরণ করেছে কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশসহ কোন সূত্র।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২২ এপ্রিল গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়া থেকে অপহূত হন রাঙ্গুনিয়ার সরববাটা গ্রামের ফিরোজ আহম্মেদের ছেলে তামাক ব্যবসায়ী তাইজুল ইসলাম। গত ৯ দিনেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
গাংনী থানার ওসি রিয়াজুল ইসলাম জানান, তাইজুল ইসলামকে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে তাকে তুলে নিয়ে গেছে ব্যবসায়িক পার্টনাররা।
এদিকে সিরাজগঞ্জ জেলার বাসিন্দা প্রতিবন্ধী সায়েমকে গত রবিবার রাতে মুজিবনগরের সোনাপুর সীমান্তে নির্যাতন করে বিএসএফ জওয়ানরা। অসুস্থ অবস্থায় তাকে মুজিবনগর পরে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সায়েমকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সায়েমের মা সাজেদা খাতুন গত মঙ্গলবার ভোরে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছালেও সায়েমের কোন খোঁজ পাননি।
উপজেলার পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের নাননুর রহমান (১৫) নামের এক কিশোর গত দু’মাস যাবত্ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ নাননুর পিতা আলফাজ উদ্দীন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। নাননুর পিতা জানান, গাংনী বাজারের লিটন মটরসাইকেল মিস্ত্রির ঘরের কাজ করতো নাননু। ২৪ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয় কর্মস্থলে আসার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।
এছাড়া গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আনিসুর রহমান নামের এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে। সে মেহেরপুর সরকারি শিশু পরিবারে থেকে পড়ালেখা করতো। সে বগুড়া জেলার দুপচাচিয়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে। ২০০৮ সালের ৯ আগস্ট মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ঘুরাফেরা করার সময় স্থানীয় লোকজন তাকে শিশু পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। সেই থেকে আনিসুর সেখানেই থাকতো। নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় শিশু পরিবারের উপ তত্ত্বাবধায়ক লাইজু রাজ্জাক সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এএসপি সার্কেল আব্দুল জলিল জানান, জিডির উপর ভিত্তি করে কার্যক্রম চলছে। যাদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না তাদের উদ্ধারের পর জানা যাবে তারা অপহরণ হয়েছেন নাকি সেচ্ছায় আত্মগোপন করেছেন।